উদ্বোধন অনুষ্ঠান © সৌজন্য প্রাপ্ত
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) ‘এনএসইউ-চায়না ইকোনমিক ইনোভেশন অ্যান্ড কো-অপারেশন সেন্টার’ (এনসিইআইসিসি)-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট হলে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ অফিস থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনএসইউর উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এবং চীনের ইনটেলিসিয়া ইনস্টিটিউটের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) ভিত্তিতে এ কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ও চীনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার করাই কেন্দ্রটির মূল লক্ষ্য।
যৌথ গবেষণা, জ্ঞান বিনিময়, নীতিনির্ধারণী সংলাপ, উদ্ভাবন এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগসংশ্লিষ্ট উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও শিল্প খাতের অংশীজনদের একত্রে কাজ করার সুযোগ তৈরি করবে এই কেন্দ্র।
কেন্দ্রটির অন্যান্য কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যৌথ গবেষণা প্রকল্পের আবেদন, নীতিসংক্ষিপ্তসার ও প্রকাশনা তৈরি, প্রশিক্ষণ কোর্স ও গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন এবং দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক বিনিময় কর্মসূচি পরিচালনা করা।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরে কেন্দ্রটির কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা হিসেবে ইনটেলিসিয়া ইনস্টিটিউট মোট ৫০ হাজার মার্কিন ডলার দেবে, যা প্রতি ছয় মাস অন্তর মোট ১০টি সমান কিস্তিতে প্রদান করা হবে। এ ছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এনএসইউ ও চীনের মধ্যে শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচির বৃত্তি হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে অতিরিক্ত আরও ৫০ হাজার মার্কিন ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
এনসিইআইসিসি একটি যৌথ পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এতে এনএসইউর পক্ষে পরিচালক হিসেবে অধ্যাপক গাজী মাইনুল হাসান এবং চীনা পক্ষের পরিচালক হিসেবে অধ্যাপক ডিংডিং চেন দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রটির সামগ্রিক কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হবে।