বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে ‘একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা’ শীর্ষক সেমিনার

০৩ আগস্ট ২০২৬, ০২:৩৮ PM
একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শীর্ষক সেমিনার

একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শীর্ষক সেমিনার © সৌজন্যে প্রাপ্ত

দেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে ‘একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: উদীয়মান প্রবণতা, গবেষণা পদ্ধতি এবং ব্যবহারিক প্রয়োগ’ শীর্ষক এক সেমিনার আজ ইউনিভার্সিটির সেমিনার হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ এ সেমিনারের আয়োজন করে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ব্রি. জে. মো. মাহবুবুল হক (অব.) এবং ব্যবসায় ও অর্থনীতি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. তাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. গাজী মো. আবু ঈসা নূর।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট বোনাভেঞ্চার ইউনিভার্সিটির স্কুল অব বিজনেসের ম্যানেজমেন্ট বিভাগে সহকারী অধ্যাপক ড. মানসুরা নুসরাত।

মূল প্রবন্ধে ড. মানসুরা নুসরাত একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব, গবেষণা নকশা ও তথ্য বিশ্লেষণে আধুনিক এআই টুলের ব্যবহার, গবেষণার মানোন্নয়নে এআই-এর সম্ভাবনা, নৈতিকতা, সীমাবদ্ধতা এবং দায়িত্বশীল ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাকে আরও গতিশীল, তথ্য নির্ভর ও কার্যকর করে তুললেও এর যথাযথ ও নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, এআই-নির্ভর কনটেন্ট তৈরি এবং স্বয়ংক্রিয় উত্তর প্রদানের প্রযুক্তির বিস্তারের ফলে প্রচলিত শিক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতি নতুনভাবে পর্যালোচনা ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এআই যেমন শিক্ষা ও গবেষণায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে, তেমনি এর অপব্যবহার, নৈতিকতা, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা এবং একাডেমিক সততা রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জও সামনে নিয়ে এসেছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আজ শিক্ষার প্রতিটি স্তরে গভীর ও সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলছে। এটি আর কোনো বিমূর্ত বা ভবিষ্যতের ধারণা নয়; বরং আমাদের দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষা, গবেষণা এবং একাডেমিক কার্যক্রমকে দ্রুত রূপান্তরিত করছে।

উপাচার্য আরও বলেন, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি সব সময় নতুন জ্ঞান সৃষ্টি, গবেষণা এবং উদ্ভাবনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে একটি আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণাগার (এআই সেন্টার) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই গবেষণাগারের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ইতোমধ্যে এআই-ভিত্তিক গবেষণা, উদ্ভাবনী প্রকল্প এবং একাডেমিক কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনা করছে। 

সভাপতির বক্তব্যে প্রফেসর ড. গাজী মো. আবু ঈসা নূর বলেন, ব্যবসায় প্রশাসনসহ সকল অনুষদের গবেষণাতেই এখন প্রযুক্তির ছোঁয়া। শিক্ষার্থীদের এই নতুন ধারার সাথে পরিচিত করতেই আমাদের এই উদ্যোগ। তিনি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক এবং উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সেমিনারের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী নুরের ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ হ্যাকের চেষ্টা
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
৩০ মিনিটে ২৫৮ বার কল দিয়েও চিকিৎসকের সিরিয়াল পেলেন না রোগী,…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
দায়িত্ব পালন করেও ‘সম্মানি’ মেলেনি ইবির বিএনসিসি-রোভার সদস্…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘অবাঞ্ছিত’ করে ছাত্রদল নেতার পোস্টা…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার উন্নতি, দেশে ফেরা নিয়ে যা ব…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে ‘একাডেমিক গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্…
  • ০৩ আগস্ট ২০২৬