আইইউবিতে শেষ হলো তিনদিনের নাট্যোৎসব ‘নাট্যবৃত্তের দ্বিদশক’ © সংগৃহীত
‘মঞ্চে হাসি, মঞ্চে কাঁদি, মঞ্চে করি উৎসব, স্মৃতির মঞ্চে রাঙুক এবার দ্বিদশক নাট্যোৎসব’– এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের (আইইউবি) শিক্ষার্থীদের ক্লাব আইইউবি থিয়েটারের উদ্যোগে তিনদিনব্যাপী নাট্যোৎসব ‘নাট্যবৃত্তের দ্বিদশক’ শেষ হয়েছে। গত সোমবার (২৭ জুলাই) আইইউবি অডিটোরিয়ামে শুরু হওয়া এই উৎসব শেষ হয়েছে বুধবার।
আইইউবি থিয়েটারের দুই দশকের নাট্যচর্চা, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য উদযাপনের লক্ষ্যে আয়োজিত এই উৎসবে দেশের বেশ কয়েকটি খ্যাতনামা নাট্যদল, নাট্যশিল্পী ও নাট্যসংগঠন অংশগ্রহণ করছে। সমকালীন নাটক, লোকনাট্য, পালাগান এবং যাত্রাপালার পরিবেশনার মাধ্যমে দর্শকদের জন্য নির্মিত হয়েছে এক বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল।
উৎসবের উদ্বোধনী দিনে আইইউবি থিয়েটার পরিবেশন করে ‘পদ্মাবতী’। বিকেলে আরণ্যক নাট্যদল মঞ্চস্থ করে ‘কহে ফেসবুক’ এবং সন্ধ্যায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার পরিবেশন করেন প্রাণবন্ত পালাগান।
উৎসবের দ্বিতীয় দিনে মঞ্চস্থ হয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ‘জহরনামা’ এবং প্রাচ্যনাট পরিবেশন করবে ‘কিনু কাহারের থেটার’।
সমাপনী দিনে পালাকার পরিবেশন করে ‘১০৮৪’, ভৈরবী গীতরঞ্জ নাট্যদল মঞ্চস্থ করে ‘সোনাই’, এবং উৎসবের সমাপনী আয়োজন হিসেবে প্রীতিলতা ধর্মীয় নাট্য সংস্থা পরিবেশন করে যাত্রাপালা ‘জীবন নদীর তীরে’।
নাট্যোৎসবটির সার্বিক সমন্বয়ে ছিলেন আইইউবির মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের প্রভাষক এবং আইইউবি থিয়েটারের সমন্বয়ক মমতাজ পারভীন মুমু। সহ-পরিচালনা ও সঞ্চালনায় ছিলেন আইইউবি থিয়েটারের প্রেসিডেন্ট সৌহার্দ্য পাল।
নাট্যোৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ড. হোসনে আরা আলী এবং উপাচার্য অধ্যাপক ম. তামিম। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী,বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা তিন দিনব্যাপী বিভিন্ন নাট্যগোষ্ঠীর প্রযোজনা উপভোগ করেন।