অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি অ্যালামনাই অব চায়নার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান © সৌজন্যে প্রাপ্ত
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে (এনএসইউ) ‘অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি অ্যালামনাই অব চায়না’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এনএসইউর অডি-৮০১তে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, নীতিনির্ধারক এবং অ্যালামনাই সদস্যরা অংশ নেন।
ইউনিভার্সিটির সহযোগিতায় ইউনান প্রাদেশিক গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তর, ইউনান প্রদেশের শিক্ষা বিভাগ এবং ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের দূতাবাসের নির্দেশনায় এবং এনএসইউর কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন; ইউনান প্রদেশের পররাষ্ট্র দপ্তরের উপ-পরিচালক জেনারেল মা জুওসিন; কুনমিং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট হে ইয়ংওয়েন; ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট মা ওয়েনহুই; এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য বেনজীর আহমেদ; এনএসইউর উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী; এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নেছার ইউ. আহমেদ। অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন এনএসইউর কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক বুলবুল আশরাফ সিদ্দিকী এবং ইনস্টিটিউটের চীনা পরিচালক মা শিয়াওয়ান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইয়াও ওয়েন বলেন, ‘চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমাদের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব ক্রমাগত আরও সুদৃঢ় হচ্ছে। দুই দেশের নেতৃবৃন্দের কৌশলগত নির্দেশনায় আমাদের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা সংস্কার, শিক্ষার মানোন্নয়ন, কারিগরি শিক্ষা উন্নয়ন এবং তরুণদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে। চীন এসব উদ্যোগকে স্বাগত জানায় এবং নীতিগত সহযোগিতা বাড়াতে, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে এবং যৌথভাবে যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে প্রস্তুত।’
এনএসইউ উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, যা শুধু কূটনীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক বিনিময়েও বিস্তৃত। এ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং দুই দেশের একাডেমিক ও জনগণের মধ্যে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে।’
অনুষ্ঠানে অ্যালামনাই প্রতিনিধিরা চীনে তাদের অধ্যয়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে শিক্ষাগত সুযোগ-সুবিধা ও একাডেমিক উৎকর্ষ নিশ্চিত করতে এনএসইউর ভূমিকার প্রশংসা করেন। তারা তাদের বৈশ্বিক জ্ঞান ও পেশাগত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।