কী-নোট স্পিকার অধ্যাপক ড. বংলী কিম। © ফাইল ছবি
প্রাকৃতিক পণ্য গবেষণা, অন্বেষণ কে সামনে রেখে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সিম্পোজিয়াম ২০২৬ এবং একই সঙ্গে বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২১তম ব্যাচের বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং হায়ার এডুকেশন, এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) যৌথভাবে এ সিম্পোজিয়াম এবং বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
এতে সায়েন্টিফিক টক, পোস্টার প্রেজেন্টেশন এবং ইন্টারডিসিপ্লিনারি সায়েন্টিফিক ডিসকাশনের পাশাপাশি ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের বিদায়ি সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু হেনা মোস্তফা জামালের সভাপতিত্বে এবং বিভাগের শিক্ষার্থী উদিসা ইসলাম ও সাব্বির আহমেদের যৌথ সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
সিম্পোজিয়ামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপক বা কী-নোট স্পিকার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার কিয়ং হি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোরিয়ান মেডিসিন রিইন্টারপ্রিটেশন ক্যানসার রিসার্চ সেন্টারের সহযোগী অধ্যাপক ড. বংলী কিম। স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যাপক ড. মো. রেজওয়ানুল ইসলাম।
সিম্পোজিয়ামে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি ক্যাটাগরিতে পোস্টার প্রেজেন্টেশনের আয়োজন করা হয়। এতে ওপেন ক্যাটাগরি বায়োমেডিকেল বিভাগের মবিনুল হক চ্যাম্পিয়ান এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জান্নাতুল রানার্সআপ হন। মাস্টার্স থিসিস ক্যাটাগরিতে আমিন খান চ্যাম্পিয়ান এবং ফরহাদ আলম রানারআপ, এবং ফোর্থ ইয়ার সিরোসিস ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ান হয়েছেন হুজাইফা এবং রানারআপ হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল হাসান। তারা প্রত্যেকেই বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকিব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ এমন আন্তর্জাতিক মানের সিম্পোজিয়াম আয়োজন করায় বায়োটেকনোলজি বিভাগকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বায়োটেকনোলজি বিভাগকে একটি 'রিসার্চ বেইসড' শিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে অভিহিত করেন এবং ভবিষ্যতে আরো বেশি করে একরের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম আয়োজন করার আহ্বান জানান।