ড্যাফোডিলে ‘পেরেন্টস ডে-২০২৫’ উদযাপিত

১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৮ PM , আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:৫৯ PM
পেরেন্টস ডে-২০২৫ পোগ্রামে

পেরেন্টস ডে-২০২৫ পোগ্রামে © সংগৃহীত

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ডিআইইউ) ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটি ক্যাম্পাসে ‘পেরেন্টস ডে ২০২৫’ আয়োজিত হয়েছে। 

শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ডিআইইউ এর স্টুডেন্টস অ্যাফেয়ার্স বিভাগের আওতাধীন আর্ট অব লিভিং (AOL) প্রোগ্রামের উদ্যোগে আয়োজিত এই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানটি শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মানবিক বন্ধন, নৈতিক মূল্যবোধ ও পারিবারিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রায় দুই হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করেন। সারাদিনজুড়ে ক্যাম্পাস জুড়ে তৈরি হয় উষ্ণ, আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী মুহূর্ত—যেখানে অনেক শিক্ষার্থী বাবা–মাকে আলিঙ্গন করে প্রকাশ করেন নিজেদের ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, দেশের প্রখ্যাত অভিনেতা, লেখক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবুল হায়াত তার বক্তব্যে বলেন, মা–বাবাই সন্তানের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। সময় যতই বদলাক, পরিবারের স্নেহ ও নৈতিক শিক্ষাই তরুণদের সবচেয়ে বড় শক্তি। ডিআইইউ যে মানবিকতা ও আধুনিক জ্ঞানের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিচ্ছে তা সত্যিই প্রশংসনীয়।

ডিআইইউ–এর উপাচার্য প্রফেসর ড. এম. আর. কবির অভিভাবকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন শুধু পাঠদান নয়, আমরা শিক্ষার্থীদের চরিত্র, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার পরিবেশ তৈরি করছি। পেরেন্টস ডে আমাদের মনে করিয়ে দেয়—একজন শিক্ষার্থীর সাফল্যের প্রধান শক্তি তার পরিবার।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান বলেন আমাদের লক্ষ্য এমন এক প্রজন্ম তৈরি করা যারা সততা, নৈতিকতা ও মানবিকতার মাধ্যমে সমাজকে এগিয়ে নেবে। পেরেন্টস ডে প্রমাণ করে যে শিক্ষা শুধু বই নয়—এটি পরিবার, সমাজ ও অভিজ্ঞতার সম্মিলিত যাত্রা।

দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয় এক্সপ্রেসিভ সেশন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, শিক্ষক–অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মতবিনিময়, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং ভালোবাসা ও বিনয়ের প্রতীক পা–ধোয়া অনুষ্ঠান। অভিভাবকরা ক্যাম্পাসপরিদর্শন করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাদের 
সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও ব্যক্তিগত বিকাশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় অংশ নেন।

‘পেরেন্টস ডে ২০২৫’ ডিআইইউ–এর শিক্ষার্থীদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি পরিবার–বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ ও অর্থবহ করে তুলেছে, যা ভবিষ্যতে মূল্যবোধসম্পন্ন, দায়িত্বশীল ও নৈতিক নেতৃত্ব গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

ছয় লাখ টাকা বিজয়ী ০০১৭৭৭৭, দেখুন পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নানা আয়োজনে গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে পিঠা উৎসব
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সাড়ে তিন মাসে ১০৩টি কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে: রাকসুর ভিপি
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সনদপত্র যাচাই, শিক্ষককে শুনানির জন্য ডাকল এনটিআরসিএ
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
‎প্রকৌশল ক্ষেত্রে বৈষম্য নিরসনে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের বাধা…
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নানা নাটকীয়তার পর আসনটিতে ফিরছে ‘দাঁড়িপাল্লা’
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬