© টিডিসি ফটো
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উৎযাপন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন ঠেকাতে মাঠে নেমেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রী ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভিপি নুরুল হক নুরের নেতৃত্বাধীন একদল শিক্ষার্থী। এরপর বিভিন্ন ইসলামপন্থী সংগঠনও বড় ধরণের বিক্ষোভ করেছে।
সম্প্রতি বিবিসি বাংলাকে নুর জানিয়েছেন, নরেন্দ্র মোদি যেদিনই বাংলাদেশে আসবেন সেদিনই তারা বিক্ষোভ করবেন। তবে মোদি ছাড়া ভারতের অন্যকোন অতিথির ব্যাপারে তাদের কোন প্রতিক্রিয়া নেই। তারা তাদের অভিনন্দন জানাবেন।
তিনি বলেন, মোদির আগমন ঠেকাতে প্রয়োজনে যদি এয়ারপোর্ট অবরোধ করা লাগে কিংবা ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে এয়ারপোর্ট অভিমুখে লংমার্চ করা লাগে, যদি ইন্ডিয়ান হাইকমিশন ঘেরাও করা লাগে- আমরা সে ধরণের কর্মসূচি নেব। মোদির আগমনকে বাংলাদেশে প্রতিরোধ করার জন্য আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।
এদিকে আসছে ১৭ মার্চ নরেন্দ্র মোদি-বিরোধী বিক্ষোভ প্রতিহত করার জন্য সরকার এবং নাগরিক সমাজের প্রতি আহবান জানিয়েছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক শাহরিয়ার কবির। তিনি বলেছেন, যারা এ ধরণের বিক্ষোভ করছে তারা আসলে এর আড়ালে 'ভারত বিরোধিতা এবং পাকিস্তানপন্থী রাজনীতিতে সক্রিয় হবার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ১৭ মার্চ এ ধরণের কাজ করতে দেয়ার অর্থ হচ্ছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে অপমান করা, বঙ্গবন্ধুকে অপমান করা। এটা আমাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য। প্রতিবাদকে আমি আপত্তি করছিনা। কিন্তু ১৭ই মার্চ কেন? নরেন্দ্র মোদি ভারতের প্রতিনিধি হয়ে বাংলাদেশে আসছেন- এর সাথে তার দল কিংবা ব্যক্তি নরেন্দ্র মোদির কোন সম্পর্ক নেই।
তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তারা এসব বিরোধিতাকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না, এবং মোদি ঢাকায় এলে তাকে উপযুক্ত সম্মানই দেখানো হবে।