পুশ ইনে এত আগ্রহ থাকলে শুভেন্দুকে পাঠিয়ে দিন: আলাল

১৪ জুন ২০২৬, ০৯:২০ PM , আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:২২ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © টিডিসি সম্পাদিত

দেশের জাতীয় স্বার্থ এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখেই অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রাখা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। একই সঙ্গে বাংলাদেশে কথিত ‘ভারতীয় পুশ ইন’ (অবৈধভাবে মানুষ পুশ করার চেষ্টা) অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানিয়ে ভারতের প্রতি এ ধরনের অপতৎপরতা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আজ রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভারতের পক্ষ থেকে সীমান্তে পুশ ইনের অপচেষ্টার বিরুদ্ধে এই প্রতিবাদ সমাবেশের যৌথ আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল এবং বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম।

সমাবেশে সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, ‘ভারতীয় পুশ ইনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ আজ সম্পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ। আমাদের সবচেয়ে বড় ভরসার জায়গা হলো— সীমান্তে যদি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পাঁচজন সদস্যও দায়িত্ব পালন করেন, তবে তাঁদের পেছনে দেশের পাঁচ হাজার সাধারণ মানুষ পুশ ইন প্রতিহত করতে প্রস্তুত থাকেন।’ এ সময় তিনি সদ্য ঢাকায় নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনারকে স্বাগত জানিয়ে সীমান্তে এই পুশ ইন বন্ধের প্রক্রিয়া জোরদার করতে তাঁর কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

ভারতের রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশে কটাক্ষ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘সীমান্তে পুশ ইন করতে যখন আপনাদের এতই আগ্রহ, তবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠিয়ে দিন। তাঁর পৈতৃক বাড়ি তো বরিশালে। কিংবা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে পাঠিয়ে দিন। আমরা অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে তাঁদের আতিথেয়তা করব। কারণ, আমরা অতিথিদের সঙ্গে আপনাদের মতো অমানবিক আচরণ করি না।’

ভারতে ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করা হচ্ছে দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘সেখানে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ওপর যে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক অত্যাচার চালানো হচ্ছে, তা আজ সারা বিশ্বে তীব্রভাবে নিন্দিত হচ্ছে।’

সমাবেশের সভাপতির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত বলেন, ‘ভারতের নতুন হাইকমিশনার বাংলাদেশে এসেই বলেছেন, আমরা নাকি এক ও অভিন্ন। অথচ বাংলাদেশের কুখ্যাত একনায়ক ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়ে রাখা হয়েছে, যা এ দেশের মানুষ কোনোভাবেই মেনে নেবে না।’

ভারতের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ‘হতদরিদ্র ও নিরীহ ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে পুশ ইন করা অবিলম্বে বন্ধ করুন। সেই সঙ্গে ‘খুনি হাসিনা’সহ ভারতে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের ফ্যাসিস্ট দুষ্কৃতিকারীদের ‘পুশ আউট’ করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠান, যাতে তাঁদের বিচারের সম্মুখীন করা যায়। যদি তা না করা হয়, তবে আমরা এই দ্বিমুখী আচরণ ও কথাবার্তাকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এক সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র হিসেবে গণ্য করব।’

বিক্ষোভ সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের সাধারণ সম্পাদক কে এম আই মন্টিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

শিক্ষার্থীদেরকে পেটানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
‎বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি শুধু নিয়মিত শিক্ষার্থীদের হওয়া…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
বর্ষাকালে লবণ-চিনি শুকনো রাখার সহজ ও কার্যকর ৬ উপায়
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতন-বাড়িভাড়া-ইনক্রিমেন্ট নিয়ে সবশেষ যা …
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে আয়ারল্যান্ড, গোসসা ইংল্যান্ডের
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
১৬৫ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ১০৭টিতে নেই প্রধান শিক্ষক
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬