হাসনাত আব্দুল্লাহ © টিডিসি ফটো
পবিত্র ঈদুল ফিতর-২০২৬ উপলক্ষে দুঃস্থ ও গরিব মানুষের মাঝে বিতরণের জন্য বরাদ্দ দেওয়া ১০ লাখ টাকা যথাযথভাবে বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ। একই সঙ্গে তিনি উপকারভোগীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকাও প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডি এবং ‘জবাবদিহিতা’ নামের পেজে এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।
ফেসবুক পোস্টে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, 'পবিত্র ঈদুল ফিতর-২০২৬ উপলক্ষে দেবিদ্বারের দুঃস্থ ও গরিব জনসাধারণের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য যে দশ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল, সেটি যথাযথভাবে বিতরণ করা হয়েছে।'
তিনি জানান, উপজেলার প্রতিটি এলাকায় এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং তালিকা উন্মুক্ত রাখা হয়েছে যাতে যে কেউ তা যাচাই করতে পারেন।
'১৫টি ইউনিয়ন, ১টি পৌরসভার মোট ১৪৪টি ওয়ার্ডে এই অর্থ সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার জন্য এনআইডি নম্বর ও মোবাইল নম্বর ঢেকে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক অনুসন্ধানের জন্য যেকোনো তথ্য উন্মুক্তযোগ্য।'
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, নির্ধারিত তালিকার ভিত্তিতে নগদ অর্থ ও সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
'লিস্টের ১০০০ জন মানুষকে ১০০০ টাকা করে মোট ১০ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫০০ জনকে ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। যেহেতু একই সঙ্গে লিস্ট করা হয়েছে, সেজন্য পুরো লিস্টই উন্মুক্ত করা হলো।'
তিনি আরও বলেন, সহায়তা প্রদানে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি; বরং প্রকৃত সুবিধাবঞ্চিতদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
পোস্টের এক নোটে বলা হয়, বরাদ্দের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচ্য ছিল না এবং প্রতিটি ওয়ার্ডের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।
সব সুবিধাবঞ্চিত মানুষ এই সহায়তার আওতায় এসেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবেও ব্যাখ্যা দেন তিনি।
'প্রশ্ন আসে যে- সব সুবিধা বঞ্চিত মানুষ কি এই বরাদ্দের আওতায় এসেছে? উত্তর হলো- না। আমাদের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের মধ্যে সরকার বরাদ্দ অর্থ সহায়তার আওতায় এসেছে মাত্র ১০০০জন। আর ব্যক্তি উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ সামগ্রীর আওতায় এসেছে ৫০০জন। সুতরাং আপনার এলাকায় কোনো না কোনো সুবিধা বঞ্চিত মানুষ অবশ্যই বাকি থাকবে।'