আগামীকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমবারের মতো একইদিন সংসদন নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। একজন প্রার্থীকে দুটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। এ ব্যালট সঠিকভাবে পূরণ করে ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে।
ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর প্রথমে পোলিং অফিসার আপনার নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখবেন। সব ঠিক থাকলে এরপর আপনার বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে বা অন্য কোনো আঙুলে অমোচনীয় কালির দাগ দেবেন। এরপর প্রিজাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার আপনাকে দুটি ব্যালট পেপার দেবেন (সংসদ নির্বাচন ও গণভোট)। ব্যালট পেপারের পেছনে অবশ্যই অফিশিয়াল সিল এবং প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর আছে কি না দেখে নেবেন।
ব্যালট পেপার নিয়ে আপনি ভোটদানের জন্য নির্ধারিত গোপন কক্ষে যাবেন। ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা করা এবং আপনার ভোটটি যেন বাতিল না হয়, সে জন্য ব্যালট ভাঁজ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট করে সিল দিন। গণভোটে হ্যাঁ/না ভোট আলাদা ব্যালটে সিল দিন।
সিল মারার পর ব্যালট পেপার এমনভাবে ভাঁজ করুন যেন সিলের কালি অন্য কোনো প্রতীকের ওপর না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করা নিরাপদ।
ভাঁজ করা ব্যালট পেপারটি উন্মুক্তস্থানে রাখা সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলুন এবং দেরি না করে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করুন।
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে না সেহেতু ভোট হবে সম্পূর্ণ সনাতন পদ্ধতিতে, অর্থাৎ কাগজের ব্যালট ও ব্যালট বাক্সে। ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো কেবল তথ্য আদান-প্রদান ও প্রশাসনিক সহায়তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে, ভোট দেওয়ার জন্য নয়।