ইশতেহার ঘোষণা করছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মো. আবু নাছের। © টিডিসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম-৮ আসনে (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ) প্রার্থী করা হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা জোবাইরুল হাসান আরিফকে। তবে আসনটিতে শেষ মুহূর্তে ইশতেহার ঘোষণা করেছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. মো. আবু নাছের। গতকাল সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে হঠাৎ করেই ইশতেহার ঘোষণা করেন তিনি।
জানা গেছে, আসনটিতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মনোনয়ন নিয়েছিলেন জামায়াত নেতা আবু নাছের। পরে আসনটি এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হেয় জোটের পক্ষ থেকে। তবে জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মেনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি তিনি। গত ২১ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন আবু নাছের। তবে অসুস্থার কারণ দেখিয়ে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না তিনি। তার পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন আসনটির পরিচালক ও নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী। তবে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে প্রচারণা অব্যাহত রাখে স্থানীয় জামায়াত ইসলামী নেতাকর্মী ও আবু নাছেরের সমর্থকরা।
ইশতেহার ঘোষণাকালে আবু নাছের বলেন, নির্বাচিত হলে এলাকার দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত সংকট নিরসন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা খাতে দৃশ্যমান ও মৌলিক পরিবর্তন আনাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবেন। তাঁর লক্ষ্য শহর ও গ্রামের মধ্যে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করা। এ ছাড়া কালুরঘাট সেতু নির্মাণ, চান্দগাঁও, বোয়ালখালী এবং পাঁচলাইশ-বায়েজিদ এলাকার আংশিক জলাবদ্ধতা নিরসন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি, ইকো-টুরিজম গড়ে তোলা, বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ২০০ শয্যায় উন্নীত করাসহ নানা প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।
জোটের প্রার্থীর থাকার পরও শেষ মুহূর্তে ইশতেহার ঘোষণার বিষয়ে ডা. মো. আবু নাছের বলেন, এলাকার মানুষের সেন্টিমেন্টকে গুরুত্ব না দিয়ে আমি পারিনি। শেষতক নির্বাচন করছি। এলাকার মানুষ আমাকে বেছে নেবেন বলে মনে করি।