রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে কথা বলছেন তারেক রহমান © টিডিসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মধ্যদিয়ে জনগণ যদি বিএনপিকে দেশ পরিচালনার (রাষ্ট্রক্ষমতা) দায়িত্ব দেয়, তাহলে দুর্নীতি, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আমরা যদি এই তিনটির ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ না করি, তাহলে আমরা দেশের উন্নয়নে যতই পরিকল্পনা উপস্থাপন করি না কেন, আমাদের কোনো পরিকল্পনাকেই সফল করে গড়ে তুলতে পারব না।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আয়োজনে ছিল ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।
হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠান শুরু হয়।
তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দেন, বিএনপি দুর্নীতির সঙ্গে কোনো আপোষ করবে না। সমাজের সর্বস্তরে দুষ্টক্ষতের মত ছড়িয়ে পড়া দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরার জন্য পদ্ধতিগত ও আইনের সংস্কারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। দুর্নীতি দমন কমিশন ও দুর্নীতি দমন আইন সংস্কারের পাশাপাশি পদ্ধতিগত সংস্কারের মাধ্যমে দুদকের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হবে। দুদক সংস্কার সংক্রান্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক গৃহীত সংস্কারগুলো যথেষ্ঠ নয় বলে বিএনপি মনে করে।
প্রায় দুই ঘণ্টার বক্তব্যে একেবারে শেষেও ‘দুর্নীতি, সুশাসন ও জবাবদিহিতার প্রতিশ্রুতি পূণর্ব্যক্ত করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, আজকে এখানে দাঁড়িয়ে আমার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ হয়ে, সেই দলের একজন কর্মী হিসেবে আমি আপনাদেরকে এতটুকু বলতে চাই যে—আমার দল জাতীয়তাবাদী দল আগামী ১২ তারিখে নির্বাচনে জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে ইনশাআল্লাহ সরকার গঠনে সক্ষম হলে, আমাদের সর্বাধিক আর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে এই তিনটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করা—দুর্নীতি, আইনের শাসন এবং জবাবদিহিতা। যে কোনো মূল্যে আমরা এটিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।
ঘোষিত ইশতেহারে দেশের চারকোটি পরিবারের গৃহিনীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড বা ফার্মার্স কার্ড, দেশের রেমিটেন্স যোদ্ধাদের জন্য প্রবাসী কার্ড সুবিধা বাস্তবায়নেরও প্রতিশ্রুতি দেন বিএনপি চেয়ারম্যান। পাশাপাশি ‘ফ্যাসিস্ট আমলে’ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের আশ্বাস এবং বিগত সময়ে নিজেদের ঘোষিত ৩১ দফাকে গুরুত্ব দেয়ার কথাও নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন তারেক রহমান।
নির্বাচনী ইশতেহার মোট ৫টি অধ্যায়ে ভাগ করে ৯টি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএনপি। ইশতেহারে বিএনপি কার্যত বিগত ২০২২ সালে জাতির সামনে উপস্থাপিত দেশ গঠনে তাদের ঘোষিত ৩১ দফাকেই প্রাধাণ্য দিয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি যখন ৩১ দফা দেয়, তখন জুলাই সনদের বিষয়টি তখন ছিল না। জাতি গঠন ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে জুলাই সনদের বাস্তবায়ন জরুরি। জুলাই সনদের অনেককিছুর সঙ্গে আমদের দেয়া ৩১ দফার মিল আছে।
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা দেখেছি, এটিকে কীভাবে একটি পরিবারের বা দলের করার চেষ্টা করে হয়েছে। তাই নিরপেক্ষভাবে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি সংগ্রহ করা প্রয়োজন। এছাড়া, সাংবিধানিক সংস্কারের প্রথমেই থাকছে ‘সর্ব শক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ কথাটিকে সংবিধানের মূলনীতি করার ঘোষণা দেন বিএনপি চেয়ারম্যান।
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের সংবিধানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম এবং সর্ব শক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস, এই দুটো বিষয় যুক্ত করেছিলেন। কিন্তু আওয়ামী লীগ ‘সর্ব শক্তিমান আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ কথাটিকে সরিয়ে দেয়। তাই বিএনপি ক্ষমতায় এলে এটিকে পুনঃস্থাপন করবে ইনশাআল্লাহ।
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ওপর বিশেষভাবে জোর দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, স্থানীয় সরকারকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিলে দেশের অনেক সমস্যার সমাধান স্থানীয়ভাবে করা সম্ভব।
এছাড়া, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা; উপ-রাষ্ট্রপতি পদ সৃষ্টি, এক ব্যক্তির প্রধানমন্ত্রী পদে সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ (১০ বছর), বিচার বিভাগের স্বাধীনতা; সংসদে উচ্চকক্ষ প্রবর্তন; উচ্চকক্ষে ১০ শতাংশ নারী; বিরোধীদলীয় ডেপুটি স্পিকার; ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন; সিনিয়ারিটির ভিত্তিতে দেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রদান; জুলাই গণহত্যার বিচার, গণঅভ্যুত্থানকারীদের আইনী সুরক্ষাসহ আরও অনেক বিষয় ইশতেহারে উল্লেখ করেন তারেক।
চাকরি, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তাসহ ইশতেহারের অন্যান্য ভাগে স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি শুন্য পদে কর্মচারী নিয়োগ; বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বেসরকারি সার্ভিস রুল প্রণয়ন করা, পেনশন ফান্ড গঠন ও বেকারভাতা চালু।
আইটি খাতে ১০ লাখ কর্মসংস্থার সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। নারী, পুরুষ ও প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে বৈষম্যহীন বেতন এবং সবেতনে মাতৃত্বকালীন ৬ মাস ছুটি চালু করার পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেন তারেক রহমান।
সাংবাদিকদের কাজের সুরক্ষা এবং গণমাধ্যমের ওপর আগ্রাসন প্রতিরোধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, গণমাধ্যমের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে 'স্বাধীন রেগুলেটরি বডি' গঠন এবং ৩০ দিনের মধ্যে অনলাইন অভিযোগ নিষ্পত্তির পদক্ষেপ নেয়া হবে। এছাড়া, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
দেশপরিচালনার সুযোগ পেলে পাঁচ বছরে সারাদেশে ৫০ কোটি গাছ রোপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, এক্ষেত্রে যে এলাকায় যে গাছ ভালো জন্মায়, সেখানে সেই গাছ রোপন করা হবে। যেমন, ঢাকার জন্য নিম গাছ।
বিএনপি চেয়ারম্যান ঘোষনা করেন, তার মা (সোবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া) মতো তিনিও কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ করতে চান।
এছাড়া, রাজধানী ঢাকাসহ দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের পাশাপাশি নদী খনন করে নৌ পথে চলাচলেও উন্নতি আনার কথা ঘোষনা করেন ইশতেহারে।
ব্যাংকিং খাত ও স্বশস্ত্র বাহিনীকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত রাখতে চায় বিএনপি উল্লেখ করে তারেক বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ণ রেখে অন্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করবে বিএনপি।
পদ্মা, তিস্তাসহ বিভিন্ন নদীর পানি বন্টন নিয়ে প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে যে সমস্যা আছে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পদক্ষেপ নেবে বিএনপি জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, যাদের সঙ্গে অসুবিধা আছে, তাদের সঙ্গে বসে আমরা এই সমস্যার সমাধান করতে চাই। যাতে আমার দেশের মানুষ পানির ন্যায্য হিস্যা পায়।
তারেক রহমান বলেন, পরিবেশ রক্ষায় থ্রি আর (রিসাইকেল, রিডিউস, রিইউজ) পলিসি বাস্তবায়নের কথাও পরিকল্পনায় আছে।
বিএনপি চেয়ারম্যান ইশতেহারে নয়টি প্রধান প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করেন, এগুলো হলো—প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে 'ফ্যামিলি কার্ড' চালু করে প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থ সেবার এই পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
কৃষকের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে 'কৃষক কার্ডে’র মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ ঋণ, কৃষি বীমা ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনায় বাজারজাতকরণ জোরদার করা হবে। মৎস্যচাষী, পশুপালনকারী খামারী ও কৃষিখাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও এই সুবিধা পাবেন। দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে দেশব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে। জেলা ও মহানগর পর্যায়ে মানসম্মত চিকিৎসা, মা ও শিশুর পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যসেবাসহ রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে। আনন্দময় ও কর্মমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাস্তব দক্ষতা ও মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষায় সর্বাধিক গুরুত্ব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি সহায়তা ও 'মিড-ডে মিল' চালু করা হবে। তরুণদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা উন্নয়ন, স্টার্টআপ ও উদ্যোক্তা সহায়তা, বৈশ্বিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে যুক্তকরণসহ মেধাভিত্তিক সরকারি নিয়োগ নিশ্চিত করা হবে।
ক্রীড়াকে পেশা ও জীবিকার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তুলতে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে দেশপ্রেমী জনগণের স্বেচ্ছাশ্রম ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যামে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী–খালখনন ও পুনঃখনন, পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে। ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা হবে।
ডিজিটাল অর্থনীতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বাড়াতে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিষ্টেম (পেপাল) চালু, ই-কমার্সের আঞ্চলিক হাব স্থাপন, ও 'মেড ইন বাংলাদেশ' পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণ করা হবে।
তারেক রহমান বলেন, এই ইশতেহার কেবল নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয় এটি একটি নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির ঘোষণা। বিএনপি প্রতিশোধ নয়, ন্যায় ও মানবিকতার রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। ক্ষমতা নয়, জনগণের অধিকারই বিএনপির রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু। লুটপাট নয়, উৎপাদন; ভয় নয়, অধিকার; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা; এই নীতিতেই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে।
পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম এবং নবম সংসদ নির্বাচন– প্রতিটিতেই দলের নেতৃত্ব দেন খালেদা জিয়া এবং তিনিই প্রতিটি নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন। এরপর শেখ হাসিনার অধীনে ২০১৮ সালের দশম নির্বাচন বয়কট করে বিএনপি। একাদশ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট অংশ নিলেও সেই সময়ে খালেদা জিয়া ছিলেন কারাগারে। ২০১৮ সালের ওই নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
এরপর ২০২৪ সালে হাসিনার অধীনে হয় দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন। কিন্তু সেই নির্বাচনও বয়কট করে বিএনপি। গেল ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেয়ার পর তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ ঘোষণায় সভাপতিত্ব করেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
ইশতেহার অনুষ্ঠানে চীন, পাকিস্তান ইউরোপীয় রাষ্ট্রদুত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রাশিয়া, বৃটেনসহ মোট ৩৮টি দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। যায়যায়দিন পত্রিকা সম্পাদক শফিক রেহমানসহ প্রায় ৬০ জন সিনিয়র সাংবাদিক-সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। অর্থনীতিবিদ ড. মাহবুব উল্লাহসহ রাজনৈতিক বিশ্লেষক শিক্ষক অর্থনীতিবিদ ব্যবসায়িক কবি সাহিত্যিক লেখক বুদ্ধিজীবী ও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ বিএনপি সিনিয়র নেতারা উপস্থিত ছিলেন।