বক্তব্য রাখছেন জামায়াতের আমির © টিডিসি ফটো
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যারা আজকে বড় গলায় কথা বলে, অথচ তাদের হাতে বিভিন্ন জায়গায় মা-বোনেরা বিবস্ত্র হয়। তারা কিনা আবার আমাদের সমালোচনা করে। আমাদেরকে কেউ খোঁচা দিলে, খোঁচা ফিরিয়ে দেওয়া আমাদের উপর ওয়াজিব। সাধু সাবধান, বাক্সের মুখ খুলতে বাধ্য করবেন না, সব বের করে দেব।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সিরাজগঞ্জ ইসলামিয়া সরকারি কলেজ মাঠে দশ দলীয় ঐক্য জোট কর্তৃক আয়োজিত নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, আমাদের দেশে দুগ্ধজাত খাবার বাহির থেকে আমদানি করতে হয়। এই সিরাজগঞ্জের গরুর দুধ গুড়া দুধে পরিণত করে সারাবিশ্বে রপ্তানি হবে। আমরা আবার এই অঞ্চলের তাঁতশিল্পকে পুনর্জীবিত করব ইনশাআল্লাহ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অনেকে ভয় দেখায় দশ দল ক্ষমতায় গেলে নারীদের ঘর থেকে বের হতে দেবে না, নারীদের পড়াশোনা করতে দেবে না; এগুলো ধোঁকাবাজদের কথা। নবী (সা:) যুদ্ধে নারীদের নিয়ে গেছেন, যুদ্ধের মত জায়গায় মায়েরা যদি ভূমিকা পালন করতে পারেন, তাহলে সমাজে এমন কোন কাজ নেই, যেটা তারা পালন করতে পারবেন না। আমরা ক্ষমতায় গেলে মা-বোনদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা শতভাগ নিশ্চিত করব।
জামায়াত আমির বলেন, যারা আজকে বড় গলায় কথা বলে, অথচ তাদের হাতে বিভিন্ন জায়গায় মা-বোনেরা বিবস্ত্র হয়। তারা কিনা আবার আমাদের সমালোচনা করে। আমাদেরকে কেউ খোঁচা দিলে, খোঁচা ফিরিয়ে দেওয়া আমাদের উপর ওয়াজিব। সাধু সাবধান, বাক্সের মুখ খুলতে বাধ্য করবেন না, সব বের করে দেব।
তিনি বলেন, যমুনা নদী খনন করে স্থায়ী বাঁধ তৈরি করা হবে। কোন বাঁশ কিংবা ছাই ব্যবহার করব না। কাজ হবে মানসম্পন্ন। আমাদের টেন্ডার হবে অনলাইনে, কারও আটকানোর ক্ষমতা নাই। ক্ষমতায় এলে চাঁদাবাজদের চুনোপুঁটিকে ধরব না, বড়দের ধরব। শত শত ধরা লাগবে না, বড়দের ধরলে কাজ হয়ে যাবে।
জামায়াত আমির বলেন, এই সব কিছুর জন্য সংস্কার লাগবে, সংস্কার করতে হলে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে। গণভোটে হ্যাঁ মানে হাদির বিচার হবে, গণভোটে হ্যাঁ মানে ১৪০০ শহিদের হত্যার বিচার, ফ্যাসিবাদ ফিরে না আসা, হ্যাঁ মানে আধিপত্য মুক্ত বাংলাদেশ।