খেলাফত মজলিসের ইমরান ইসলামাবাদী এবং জামায়াত নেতা অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা–কর্ণফুলী) সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে খেলাফত মজলিস মনোনীত ইমরান ইসলামাবাদীর নাম চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। জোটের আসন বণ্টনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরীকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ১১ দলীয় ঐক্যের ১০টি দলের প্রার্থিতা ঘোষণাকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ছাড়া জোটের বাকি ১০টি দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
জোট সূত্রে জানা গেছে, আসন সমন্বয় ও নির্বাচনী কৌশলগত বিবেচনায় চট্টগ্রাম-১৩ আসনটি খেলাফত মজলিসকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ১১ দলীয় ঐক্য। এর অংশ হিসেবেই খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় নেতা ইমরান ইসলামাবাদীকে একক প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।
এ সিদ্ধান্তের ফলে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে সক্রিয় থাকা জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী নির্বাচনী দৌড় থেকে ছিটকে পড়লেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জামায়াতের একাধিক স্থানীয় নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই, তবে এতে মাঠপর্যায়ে কিছুটা হতাশা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, খেলাফত মজলিসের নেতারা বলছেন, জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে। তারা দাবি করেন, আনোয়ারা- কর্ণফুলী আসনে ইমরান ইসলামাবাদী একজন গ্রহণযোগ্য ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে জোটের সমর্থন পেয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকেলে আনোয়ারা উপজেলার কালাবিবির দীঘি টানেল রেস্টুরেন্টে এক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহমান হানিফ আসনটি খেলাফত মজলিসকে ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন।