মঞ্চ ৭১-এর অনুষ্ঠানে অনুমতি ছাড়া ড. কামালের নাম রাখায় গণফোরামের প্রতিবাদ

২৯ আগস্ট ২০২৫, ০১:৫০ AM , আপডেট: ২৯ আগস্ট ২০২৫, ০৪:৪২ PM
ড. কামাল হোসেন

ড. কামাল হোসেন © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

মঞ্চ ৭১ নামে এক প্লাটফর্ম রাজধানীর রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সেমিনারের ব্যানারে অনুমতি ছাড়া গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নাম ব্যবহার করায় প্রতিবাদ জানিয়েছে দলটি।  

বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) গণফোরামের তথ্য ও গণমাধ্যম সম্পাদক টি এইচ এম জাহাঙ্গীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঞ্চ ৭১ নামে একটি সংগঠন তাদের ২৮ আগস্ট সকালে রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সেমিনারের ব্যানারে অনুমতি ছাড়া গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেনের নাম ব্যবহার করায় গণফোরামের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা: মিজানুর রহমান প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, গণফোরাম নেতৃবৃন্দ বলেছেন মঞ্চ ৭১ নামে যে সংগঠন ড. কামাল হোসেনের নাম ব্যবহার করে জনমতে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে তার সাথে ড. কামাল হোসেন বা গণফোরামের কোন সম্পৃক্ততা নেই।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে ‘মঞ্চ ৭১’ নামের একটি সংগঠন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রাখা হয় গণফোরামের ইমেরিটাস সভাপতি ড. কামাল হোসেনকে। তিনি এবং সভার অন্যতম আয়োজক আইনজীবী জেড আই খান পান্না দেরিতে পৌঁছানোর কারণে সভা শুরুতে বিলম্ব হয়।

বেলা ১১টার দিকে অনুষ্ঠান শুরু হলে এতে যোগ দেন ইতিহাসবিদ ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, সাংবাদিক মাহবুব কামাল, সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনসহ অনেকে। সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বীর প্রতীক।

বক্তব্যে অধ্যাপক কার্জন বলেন, “একটা শক্তি মুক্তিযুদ্ধকে, একাত্তরকে চব্বিশের মুখোমুখি দাঁড় করাতে চায়। তারা বাংলাদেশের বিরোধী শক্তি। তারা বাংলাদেশের সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে দিতে চায়। বাংলাদেশকে নাই করে দেওয়ার পেছনে এই শক্তি জামায়াত-শিবির। আর তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কিছু বিভ্রান্ত বাম তাত্ত্বিক।”

তার বক্তব্য শেষ হওয়ার পরপরই একদল ব্যক্তি হট্টগোল শুরু করে ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’, ‘জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’, ‘লীগ ধর, জেলে ভর’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দিতে অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকে পড়ে। তাদের কেউ লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে মঞ্চে উঠে পড়েন এবং এক পর্যায়ে দরজা বন্ধ করে দেন। আয়োজকদের সঙ্গে হাতাহাতি ও লাঞ্ছনার ঘটনাও ঘটে। নিজেদের “জুলাই যোদ্ধা” পরিচয় দেওয়া এই ব্যক্তিরা লতিফ সিদ্দিকীর উদ্দেশে চিৎকার করে বলেন, “তুই ফ্যাসিস্ট পুনর্বাসন করতে আসছিস। নাস্তিক কোথাকার! তুই হজ নিয়ে কটূক্তি করিস।”

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে পুলিশ এসে লতিফ সিদ্দিকী ও অধ্যাপক কার্জনসহ অন্তত ১০ জনকে নিরাপত্তার স্বার্থে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে তাদের সবাইকে ডিবি হেফাজতে রাখা হয়।

চলন্ত ট্রেনে পাথরের আঘাতে চোখ হারানো বাউবি শিক্ষার্থীকে আর্…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলায় আহত ৮
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাবিতে ফের সমকামিতার অভিযোগ, দুই ছাত্রকে হল থেকে বহিষ্কার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের ওপর নিউমার্কেট যুবদলের হামলার অভিযোগ
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মী কারাগারে
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
তারেক রহমানকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যেও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভার…
  • ১১ আগস্ট ২০২৬