বিএনপিকে ‘জঙ্গীবাদের পৃষ্টপোষক’ বলা বুদ্ধিজীবীরা এবার তাদের প্রগতিশীলতার ভ্যানগার্ড না বানিয়ে ক্ষান্ত হবে না

১৪ জুন ২০২৫, ০৬:৪৮ PM , আপডেট: ১৫ জুন ২০২৫, ০১:০১ PM
সারোয়ার তুষার

সারোয়ার তুষার © সংগৃহীত

বিএনপিকে ‘জঙ্গীবাদের পৃষ্টপোষক’ বলা বুদ্ধিজীবীরা এবার তাদের প্রগতিশীলতার ভ্যানগার্ড না বানিয়ে ক্ষান্ত হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। শনিবার (১৪ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি। 

ওই পোস্টে তুষার লেখেন, বাংলাদেশের সিভিল সোসাইটি মূলত ক্ষমতাপন্থী। তারা খুব দ্রুত ক্ষমতার হাওয়াটা ধরতে পারেন। এখনো পারছেন। বিএনপির পক্ষে তাদের লজিক হচ্ছে, খুন-খারাবি, চাঁদাবাজি যাই করুক না কেন, তারা ব্যবস্থা তো নিচ্ছে! সুতরাং ভরসা রাখুন! (খোদার ওয়াস্তে তাদের ‘ভরসারা’ খুন না হোক আবার!)।

তিনি লেখেন, এক-এগারো থেকে গত সতেরো বছর বিএনপিকে বলা হয়েছে ‘মৌলবাদী’ দল। বিএনপি-জামায়াত। এক পর্যায়ে হয়ে গেল জামায়াত-বিএনপি। বিএনপিকে জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষক, মৌলবাদী কি বলা হয় নাই! কিন্তু সেই একই সিভিল সোসাইটি ও অ্যাক্টিভিস্ট সমাজ এখন বিএনপিকে প্রগতিশীলতার ভ্যানগার্ড না বানিয়ে ক্ষান্ত হবে না। এমন না যে, তারা তাদের পূর্বতন রাজনৈতিক অবস্থানের থিসিস পরিবর্তন করেছে। তারা তাদের ‘মৌলবাদ দমন’ রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ হিসেবেই বিএনপিকে ঢাল বানাতে চাচ্ছে। আল্লাহ না করুক, এরা যেন বিএনপিকে না ডুবায়। 

এই সিভিল সোসাইটি আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসানোকেও ‘ঐতিহাসিক জরুরত’ হিসেবে হাজির করেছিল জানিয়ে এনসিপির এই নেতা লেখেন,  এক-এগারোর সময় আওয়ামীলীগকে ক্ষমতায় বসানোকে এ দেশের সিভিল সোসাইটি ও বুদ্ধিজীবী সমাজ ‘ঐতিহাসিক জরুরত’ হিসেবে হাজির করেছিল। সমালোচনা করে করে আওয়ামীলীগকে তারা পথচ্যুত হতে দেবে না, এরকমই টগবগে প্রত্যয় ছিল তাদের। বাকিটা ইতিহাস।

তুষার লেখেন, এখন ওই একই মানসিকতার অ্যাক্টিভিস্ট সমাজ তাদের “মৌলবাদ নিধন” রাজনৈতিক প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিএনপিকে ‘ঐতিহাসিক জরুরত’ হিসেবে তার কাঁধে ভর করেছে। বিএনপির অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি আছে, আমরা সমালোচনা করে ঠিক রাখব বিএনপিকে, এই হলো তাদের সরল প্রত্যাশা।

তিনি লেখেন, বুদ্ধিজীবীদের সাধারণত রাজনৈতিক দলের চেয়ে এগিয়ে থাকতে হয়। বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে উল্টো ঘটনা। বুদ্ধিজীবীরা রাজনৈতিক দলগুলোর চেয়েও পশ্চাৎপদ ও আপোষকামী। বুদ্ধিজীবীদের কথা শুনলে দেশ স্বাধীন হতো না, এখন যা বলছেন শুনলে দেশে কোনো আমূল পরিবর্তন হবে না। বলেছিলেন আহমদ ছফা।

তিনি আরও লেখেন, এখন আমাদের বলতে হয়: বুদ্ধিজীবীদের কথা শুনলে এ দেশে গণঅভ্যুত্থান হতো না। এখন যা বলছেন তা শুনলে দেশে মৌলিক সংস্কার হবে না। তারা নিজেদের সাথে সাথে বিএনপিকে নিয়ে না ডুবলেই হয়।

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন ইসহাক সরকার
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ফেসবুকে মতপ্রকাশের জেরে তুলে নেওয়া রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদের পু…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
শেষ বৈঠকের ছবি দিয়ে আপ বাংলাদেশকে বিদায় জানালেন রাফে
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে কৃষি প্রযুক্তি, শিল্প উন্নয়ন ও দক্ষত…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোয় জামায়াতের আমিরের ক্ষোভ
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬
হামে আক্রান্ত শিশুর মৃত্যুতে শোকাহত পরিবারের পাশে প্রধানমন্…
  • ১৮ এপ্রিল ২০২৬