জেনারেল এম এ জি ওসমানীর মৃত্যুবার্ষিকী আজ

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:২০ AM
জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম এ জি) ওসমানী

জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম এ জি) ওসমানী © সংগৃহীত

আজ (১৬ ফেব্রুয়ারি) মহান মুক্তিযুদ্ধের মুক্তিবাহিনী ও সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গনি (এম এ জি) ওসমানীর ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৮৪ সালের এই দিনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এম এ জি ওসমানী ১৯১৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর সুনামগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তার গ্রামের বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জে। তার বাবা খান বাহাদুর মফিজুর রহমান ও মা জোবেদা খাতুন। অসাধারণ মেধাবী ওসমানী ১৯৩৪ সালে মেট্রিকুলেশন পরীক্ষায় ব্রিটিশ ভারতের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এ অসাধারণ কৃতিত্বের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে প্রাইটোরিয়া পুরস্কার প্রদান করে।

ছাত্রজীবনেই ওসমানীর মধ্যে ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্বের ছাপ ফুটে ওঠে। যোগ্যতার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউ.ও.টি.সি’র (ইউনিভার্সিটি অফিসার্স ট্রেনিং কোর) সার্জেন্ট নিযুক্ত হন। ওসমানী ১৯৩৯ সালে জুলাই মাসে ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনা বাহিনীতে যোগদান করেন। তিনি ১৯৪০ সালে ৫ অক্টোবর দেরাদুন সামরিক একাডেমি হতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে আর্মির কিং কমিশন প্রাপ্ত হন।
 
১৯৪১ সালে ১৭ই ফেব্রুয়ারি ক্যাপ্টেন পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং যোগ্যতার বলে তিনি ১৯৪২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে ব্রিটিশ আর্মির সর্ব কনিষ্ঠ মেজর হন। মাত্র ২৩ বছর বয়সে একটি ব্যাটোলিয়ানের অধিনায়ক হয়ে নজিরবিহীন রেকর্ড সৃষ্টি করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত বার্মার রণাঙ্গনে স্বতন্ত্র যান্ত্রিক পরিবহনে এক বিশাল বাহিনীর অধিনায়কত্ব দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৪৫ সালে ওসমানী তার পিতার ইচ্ছা পূরণে আই.সি.এস পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে উত্তীর্ণ হন।
 
এম এ জি ওসমানী ১৯৪৭ সালে ৭ অক্টোবর লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৪৮ সালে পশ্চিম পাকিস্তানে কোয়েটা স্টাফ কলেজ থেকে পি.এস.সি ডিগ্রি লাভ করেন। তাকে ১৯৫৫ সালে ১২ ডিসেম্বর পাকিস্তানের সেনা সদর অপারেশন পরিদফতরে জেনারেল স্টাফ অফিসার নিয়োগ করা হয়। এখানে তাকে ১৯৫৬ সালে ১৬ মে মাসে কর্নেল পদে পদোন্নতি দিয়ে ডেপুটি ডাইরেক্টর এর দায়িত্বে নিয়োগ করা হয়।
 
এসময় আন্তর্জাতিক সংস্থা সিয়াটো ও সেন্টোতে ওসমানী পাকিস্তান বাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে ওসমানীর দক্ষতার সঙ্গে ডেপুটি ডাইরেক্টর অব মিলিটারি অপারেশনের দায়িত্ব পালন করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্নেল পদে কর্মরত থাকাকালীন ওসমানী একজন স্বাধীন চেতা বাঙালি সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ১৯৬৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি কর্নেল পদে থাকা অবস্থায় অবসরে যান ওসমানী।
 
পরবর্তীকালে তিনি ১৯৭০ এর নির্বাচনে ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ-বিশ্বনাথ এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে অসামান্য কৃতিত্ব প্রদর্শন করেন ওসমানী। মুক্তিবাহিনীর প্রধান হিসেবে পালন করেন অতুলনীয় ভূমিকা।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর কবর জিয়ারত, শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

গোবিপ্রবিতে ফিস্টের খাবার নিয়ে সংঘর্ষ, বৈষম্যবিরোধী নেতাকে …
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
ডাকসুর সাবেক ভিপি ও দুইবারের সংসদ সদস্য গ্রেপ্তার
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
জবি ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলেন জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলারকে ধারে ইতালির ক্লাবে পাঠাল রিয়াল…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
আদমজী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে নিয়োগ দেবে শ…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬
হাসিনাকে নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্যের জেরে সরকারি কর্মচারীকে স্ট্…
  • ০৬ আগস্ট ২০২৬