বেতনের ৮০ ভাগই এতিম ছাত্রদের দেওয়া পিটার এবার বিশ্বসেরা শিক্ষক!

২৬ মার্চ ২০১৯, ০৯:৩০ AM
পুরস্কার পাওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন পিটার টাবিচি

পুরস্কার পাওয়ার পর কান্নায় ভেঙে পড়েন পিটার টাবিচি © এএফপি

পিটার টাবিচি। প্রতি মাসে বেতন যা পান, তার ৮০ শতাংশই দান করে দেন তার এতিম ছাত্রদের জন্য। তার আরো অনেক উদ্যোগও রয়েছে। আর এসব কারণেই কেনিয়ার রিফ্ট ভ্যালির প্রত্যন্ত গ্রামের এ শিক্ষক বিশ্বের সেরা শিক্ষক। শনিবার অর্জন করলেন ২০১৯ সালের ‘গ্লোবাল টিচার প্রাইজ’। যার পুরস্কার মূল্যমান দশ লক্ষ ডলার। শনিবার দুবাইয়ে আয়োজিত জমকালে এক অনুষ্ঠান মঞ্চে তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

এর আগেও পিটারের গল্প বিভিন্নভাবে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। শিক্ষার্থীদের জন্য তার সংগ্রাম, তাদের জন্য নিজের সংগ্রাম বিলিয়ে দেয়াসহ অগণিত গল্পের মাধ্যমে ছাত্রদের যোগ্য করে তোলা কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে বিশ্বের সেরা শিক্ষক হওয়ার গল্প এবারই তার প্রথম।

পুরস্কার পাওয়ার পর পিটার জানান, ‘পুরস্কারটি আমার নয়, আফ্রিকার যুবসমাজের। কারণ, প্রতিদিনই এখানে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। তাছাড়া আমার ছাত্রদের কৃতিত্বেই আজ আমি এখানে।’ পুরস্কার পাওয়ার পর পিটারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াট্টা। এক বার্তায় পিটারের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘তোমার গল্প গোটা আফ্রিকার গল্প। তরুণ প্রতিভায় ভরা এক মহাদেশের গল্প।’

জানা যায়, বিভিন্নভাবে বাছাইয়ের পর সর্বশেষ বিশ্বের মোট নয় জন প্রতিদ্বন্দ্বীকে পিছনে ফেলে পুরস্কারটি জিতেছেন ছত্রিশ বছর বয়সী পিটার।

পুরস্কার পাওয়ার পর

 

পিটারের জীবন গল্প নিয়ে আনন্দবাজারের তথ্য, কেনিয়ার রিফ্ট ভ্যালির কাছে এক প্রত্যন্ত গ্রাম ওয়ানি। সেখানে ‘কেরিকো মিক্সড ডে সেকেন্ডারি স্কুল’-এ অঙ্ক এবং পদার্থবিদ্যা পড়ান পিটার। স্কুলটির প্রায় এক তৃতীয়াংশ ছাত্র-ছাত্রীই অনাথ। অনেকের আবার হয়তো শুধু বাবা কিংবা মা রয়েছেন। তবে সকলেই দারিদ্রসীমার নীচে। প্রায়ই দিনই খালি পেটে দিন কাটে তাদের। তা ছাড়া প্রায় সাত কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে স্কুলে পৌঁছতে হয় ছাত্র-ছাত্রীদের। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে অল্প বয়সে মেয়েদের বিয়ে দেওয়া বা মা হওয়ার মতো সামাজিক সমস্যাও বেশ প্রকট। রয়েছে মাদকাসক্তির মতো সমস্যাও। সব মিলিয়ে স্কুলছুটের সংখ্যা কম নয়। তা ছাড়া রয়েছে শিক্ষকের সমস্যাও। প্রতি ৫৮ জন ছাত্রপিছু শিক্ষক রয়েছেন মাত্র এক জন। রয়েছে মাত্র একটি ডেস্কটপ কম্পিউটার। তবে ইন্টারনেট সংযোগ কাজ করে নামমাত্রই।

কোনও কিছুরই তোয়াক্কা না করে নিজের মতো করে ছাত্রদের স্কুলমুখী করতে উদ্যোগী হন পিটার। ছাত্রদের পড়াশোনায় মনোযোগী করে তুলতে বেশিরভাগ ক্লাসেই ‘ইনফর্মেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন’ (আইসিটি) প্রযুক্তি ব্যবহার করেন তিনি।

স্কুলে পিটার টাবিচি

 

পিটারের অনুপ্রেরণা এবং সহযোগিতায় দেশের বড় বড় স্কুলগুলিকে পিছনে ফেলে ‘জাতীয় বিজ্ঞান’ প্রতিযোগিতাগুলিতেও কৃতিত্ব অর্জন করেছে এই প্রত্যন্ত এলাকার ছাত্র-ছাত্রীরা।

সব বাধা কাটিয়ে কাল মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন বিজয়
  • ০৯ মে ২০২৬
দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন বৃষ্টি
  • ০৯ মে ২০২৬
শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে শিক্ষকদের মানোন্নয়ন জরুরি: শিক্ষ…
  • ০৯ মে ২০২৬
আজ রাত জেগে থাকার দিন 
  • ০৯ মে ২০২৬
বিএসএফ-এর গুলিতে দুই বাংলাদেশি নিহতের প্রতিবাদে জেডিপির বিক…
  • ০৯ মে ২০২৬
বাসচালক-হেলপারকে অপহরণ করে লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, গ্রেপ্তা…
  • ০৯ মে ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SUMMER 2026
Application Deadline Wednesday, May 13, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9