বিশ্বে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। সবশেষ প্রাপ্ত তথ্যনুযায়ী এ রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০ হাজার ৪৮ জন। ১৭৯টি দেশের ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬১৩ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এছাড়া চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৮৮ হাজার ৪৩৭ জন।
করোনা প্রতিরোধ অনেক দেশই লক ডাউন করা হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যায় চীনকে পেছনে ফেলেছে ইউরোপের দেশ ইতালি। এই মুহূর্তে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে রয়েছে দেশটি। দেশটিতে হু হু করে বাড়ছে আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরও ৪২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ইউরোপের দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৪০৫ জনে।
গত বুধবারই ইতালিতে একদিনে প্রাণ হারিয়েছিলেন ৪৭৫ জন কোভিড-১৯ রোগী। এখন পর্যন্ত এটাই যেকোনও দেশের জন্য একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড।
অপরদিকে ইরানে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজার ৪০৭ এবং মারা গেছে ১ হাজার ২৮৪ জন। স্পেনে এই ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ১৮ হাজার ৭৭ এবং মারা গেছে ৮৩১ জন।
চীনে গতকাল পর্যন্ত মোট আক্রান্ত রোগী সংখ্যা ৮০ হাজার ৯২৮ জন। এর মধ্যে ৭০ হাজার ৪২০ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন। যা মোট আক্রান্তের ৯৬ শতাংশ। আর মারা গেছে ৩ হাজার ২৪৫ জন যা মোট সংখ্যার ৪ শতাংশ। একই সময়ে চীনে ৩১ শতাংশ আক্রান্ত রোগী মূমুর্ষ অবস্থায় আছে যার সংখ্যা ২ হাজার ২৭৪ জন। আর ৬৯ শতাংশ রোগীর (যা সংখ্যায় ৪ হাজার ৯৮৯ জন) অবস্থা বেশ ভাল বলে জানানো হয়েছে।
সার্বিকভাবে করোনাভাইরাসের ছোবলে বেশি বিধ্বস্ত হয়েছে ইতালি। চীনকে অনুসরন করে ইতালির সবকিছু রেড জোনের আওতায় বন্ধ রয়েছে গত ১০ দিন। কিন্তু এ সময়ে অবস্থার উন্নতির বিপরীতে আরও বেশি অবনতি হয়েছে। ইতোমধ্যে পরিবহন ব্যবস্থা ৮৫ ভাগ কমিয়ে আনা হয়েছে। বুধবার সুপার মার্কেট খোলার সময়সূচী আরও সীমিত করে ঘোষনা দেয়া হয়েছে। জনগনকে কেবল জরুরি প্রয়োজনে পাশ্ববর্তী সুপার মার্কেট থেকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়ের জন্য বলা হয়েছে। সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও করোনার হানা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারছে না।