পুরুষদের আর্দশ স্বামী বানাতে সেনেগালে জাতিসংঘের বিশেষ স্কুল

১৭ আগস্ট ২০২৫, ০৬:৩৯ PM , আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৫, ০৬:২৯ PM
সেনেগালে পুরুষদের ভালো স্বামী বানাতে বিশেষ স্কুল শুরু করেছে জাতিসংঘ

সেনেগালে পুরুষদের ভালো স্বামী বানাতে বিশেষ স্কুল শুরু করেছে জাতিসংঘ © সংগৃহীত

পশ্চিম আফ্রিকার সেনেগালে পুরুষদের ভালো স্বামী বানাতে বিশেষ স্কুল শুরু করেছে জাতিসংঘ। ‘স্কুল ফর হাসবেন্ড’ নামের এই স্কুলে আক্ষরিক অর্থেই শেখানো হয় কীভাবে একজন পুরুষ ভালো স্বামী হতে পারেন। খবর এপি

পশ্চিম আফ্রিকার অনেক দেশের মত সেনেগালেও যেকোনো কিছুতে পুরুষের কথাই শেষ কথা। এমনকি পরিবার পরিকল্পনাসহ জীবন বদলে দেওয়ার মতো বড় বড় সিদ্ধান্তেও নারীদের কোনো মতামত নেওয়া হয় না। নারীর জীবনের একান্ত ব্যক্তিগত বিষয়গুলোর জন্যও পুরুষ সদস্যের ‘অনুমতি’ নিতে হয় তাঁদের। সেই দৃশ্যপটে কিছুটা পরিবর্তন আনতে দেশটিতে বিশেষ এই কর্মসূচি চালু করেছে জাতিসংঘ। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য সমাজের পুরুষ সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্য, অর্থনীতি এবং বিভিন্ন সামাজিক ইস্যুতে ‘ইতিবাচক পুরুষত্ব’ (পজিটিভ ম্যাসকুলিনিটি) জাগিয়ে তোলা।

২০১১ সাল থেকেই সেনেগালে এই কর্মসূচি চালিয়ে আসছে জাতিসংঘ। তবে, সম্প্রতি দেশটির নারী, পরিবার, লিঙ্গ ও শিশু সুরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে এটি। বর্তমানে দেশটির সরকার এই কর্মসূচিকে মাতৃত্বকালীন মা ও শিশু মৃত্যুর হার কমানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে বিবেচনা করছে। শুধু সেনেগাল নয়, নাইজার, টোগো, বুরকিনা ফাসোসহ আফ্রিকার আরও কয়েকটি দেশে চলছে জাতিসংঘের এই ‘হাসবেন্ড ফর স্কুল’ কর্মসূচি। জাতিসংঘ বলছে, এই দেশগুলোতে নারী স্বাস্থ্যের বেশ উন্নতি হয়েছে।

শুধু মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য নয়, এই কর্মসূচিতে নারী অধিকার, সমতা, নিরাপদ যৌনতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়। সেনেগালজুড়ে এই প্রকল্পের প্রায় ২০টি স্কুল রয়েছে। এসব স্কুলে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ পুরুষকে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। এই ৩০০ পুরুষ এখন নিজের জনবসতিতে তাঁর অর্জিত জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করছেন।

তবে, এই প্রকল্পে কাদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে, তা বাছাই করে জাতিসংঘই। সামাজিকভাবে যাঁরা নিজ এলাকায় সম্মানিত, নারী অধিকার সম্পর্কে সচেতন, নেতৃত্বের গুণ রয়েছে—এমন পুরুষদেরই বাছাই করা হয়। যেহেতু নিজ নিজ এলাকায় তাঁরা সম্মানিত, তাই সমাজে তাঁদের একটা আলাদা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। পরে সেই গ্রহণযোগ্যতা কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণে যা শিখেছেন, উপলব্ধি করেছেন, তা বাকিদের মধ্যে ছড়িয়ে দেন তাঁরা।

খারি নডেয়ে নামের ৫২ বছর বয়সী এক নারী জানান, তাঁর স্বামী আগে কোনো কাজেই হাত লাগাতেন না, কিন্তু এখন তিনি রান্নাও করেন।

২০২৩ সালে প্রতি ১ লাখ শিশুর জন্ম দিতে গিয়ে ২৩৭ জন মা মারা গেছেন। একইভাবে, নবজাতকের ক্ষেত্রেও পরিস্থিতি ভালো ছিল না—প্রতি ১ হাজার জন শিশুর মধ্যে ২১ জনই জন্মের প্রথম মাসেই মারা যায়। এই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি ১ লাখ শিশুর বিপরীতে মাতৃমৃত্যু ৭০ জনের নিচে নিয়ে আনতে চায় তারা। একই সঙ্গে, নবজাতকের মৃত্যুহারও প্রতি ১ হাজার শিশুর মধ্যে ১২-এর নিচে নামিয়ে আনতে চায়।

গণতান্ত্রিক সরকার গঠনের সুযোগ হাতছাড়া হলে শহীদদের প্রতি জু…
  • ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
শৈলকুপায় মাদ্রাসায় নাইটগার্ড নিয়োগ পরীক্ষা নিয়ে উত্তেজনা, আ…
  • ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামের জুলাইযোদ্ধা হাসনাত আব্দুল্লাহর ওপর সশস্ত্র হামলা
  • ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
মনোনয়ন ফিরে পেলেন বিএনপির আরেক প্রার্থী
  • ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
বোয়ালখালীতে সেনা অভিযানে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
  • ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও রাশিয়া ‘ক্ষমতা’ দেখানোর প্রতিযোগিতায় নে…
  • ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9