শান্তিতে নোবেল ঘোষণা আজ, আলোচনায় যারা

১১ অক্টোবর ২০২৪, ০৯:০৪ AM , আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৩০ PM
নোবেল পুরস্কার

নোবেল পুরস্কার © সংগৃহীত

নোবেল পুরস্কার আসরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় শান্তি পুরস্কার বিজয়ীর নাম জানা যাবে আজ ১১ অক্টোবর। নরওয়ের রাজধানী স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ও  বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টায় নরওয়ের রাজধানী অসলোর নোবেল ইনস্টিটিউট থেকে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে।

পুরস্কারের ঘোষণা নেবেলপ্রাইজ.ওর্গ এবং ফেসবুক, এক্স, ইউটিউবে নোবেল পুরস্কারের অফিসিয়াল ডিজিটাল চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। এ বছর পুরস্কারটির জন্য আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে), জাতিসংঘের ত্রাণ কার্যক্রম সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) এবং জাতিসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেসকে এগিয়ে রাখা হচ্ছে। 

বিশ্বশান্তির জন্য একটি অন্ধকারাচ্ছান্ন বছর পার করার প্রেক্ষাপটে এবারের পুরস্কারটিকে বিবেচনা করা হচ্ছে আলোকবর্তিকা হিসেবে।

চলতি বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ, সুদানে দুর্ভিক্ষ, জলবায়ু পরিবর্তন সংকটসহ অনেক বিষয় সামনে এসেছে। এ কারণে নোবেল পর্যবেক্ষকেরা শেষ মুহূর্তে এসে এবারের বিজয়ী সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বাণী করতে হিমশিম খাচ্ছেন।

নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট এই বছরের শান্তি পুরস্কারের জন্য মোট ২৮৬ জন প্রার্থীর নাম নিবন্ধন করেছে, যার মধ্যে ১৯৭ জন ব্যক্তি এবং ৮৯টি সংস্থা রয়েছে।

১৯০১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট ১১৪ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ১১১ ব্যক্তি ও ৩০ সংস্থা মিলে পুরস্কার বিজয়ীর সংখ্যা ১৪১। রেড ক্রসের আন্তর্জাতিক কমিটি ১৯১৭, ১৯৪৪ ১৯৬৩  সালে তিনবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার দপ্তর ১৯৫৪ ও ১৯৮১ সালে দুইবার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছে। এছাড়া ২৭ স্বতন্ত্র সংস্থা নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে।

এর আগে, প্রথা অনুযায়ী অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার  চিকিৎসাশাস্ত্রে বিজয়ীদের নাম দিয়ে শুরু হয়েছে নোবেল পুরস্কার ঘোষণা। ৭ অক্টোবর যৌথভাবে দুই মার্কিন বিজ্ঞানী ভিক্টর অ্যামব্রোস ও গ্যারি রাভকানকে চিকিৎসাশাস্ত্র বা ওষুধশাস্ত্রে ২০২৪ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে।

ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি  জানায়, ‘মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য’ তাদের এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, নোবেল পুরস্কারের জন্য প্রতিবছর ৩০০ জনের একটি তালিকা তৈরি করা হয়। এরপর যাচাই বাছাই শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে এক বা একাধিক ব্যক্তিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ১৯০১ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার প্রদান করে। সুইডিশ বিজ্ঞানী ও ডিনামাইটের উদ্ভাবক আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর ৫ বছর পর থেকে তার নামে ও রেখে যাওয়া অর্থে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। পরে ১৯৬৯ সালে এতে যুক্ত হয় অর্থনীতি।

প্রতিবছর আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুর দিবস ডিসেম্বরের ১০ তারিখ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের অর্থ তুলে দেওয়া হয়। প্রত্যেক ক্ষেত্রে পুরস্কার বিজয়ীরা একটি স্বর্গপদক, শংসাপত্রসহ একটি ডিপ্লোমা এবং বর্তমানে ১১ মিলিয়ন সুইডিশ ক্রোনার পান।

সমাজের 'নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন' করার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশের ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

সেনবাগ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক-যুগ্ম আহ্বায়ককে সব পদ থেকে বহিষ্…
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
১৩ কেন্দ্রে জবির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ৯, চলছে আবেদন
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
বিএনপি নেতার নারী হেনস্তার ভিডিও ভাইরাল, প্রতিবাদ জামায়াত …
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
জামায়াত নেতাকে হত্যা ও নির্বাচনী প্রচারণায় নারীকে হেনস্তার …
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ১৫, আবেদন শেষ আগামী…
  • ৩০ জানুয়ারি ২০২৬