লক্ষ্যমাত্রা ২০৩১

‘থ্রি আর’ ফর্মুলায় দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে নামছে সরকার

১২ জুন ২০২৬, ০৯:১০ AM , আপডেট: ১২ জুন ২০২৬, ০৯:২০ AM
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী © টিডিসি সম্পাদিত

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও মূল্যস্ফীতির চাপ সামলে দেশের অর্থনীতিকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে গতিশীল করতে ২০৩১ সালের মধ্যে ‘থ্রি আর’ (রিকোভারি, রেসটোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন) নামক একটি কৌশলগত কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থনৈতিক কৌশল হিসেবে এ ফর্মুলা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের মূল লক্ষ্য ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে দেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫ শতাংশে উন্নীত করা, মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ জিডিপির ২৭ শতাংশে উন্নীত করা ও মোট বিনিয়োগ জিডিপি’র ৪০ শতাংশে উন্নীত করতে চাই।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকার এ পরিকল্পনা তিনটি ধাপে বাস্তবায়ন করবে, যাকে আমরা ‘থ্রি আর’ (রিকোভারি এন্ড স্ট্যাবিলিজেশন, রেসটোরেশন এন্ড রিকনস্ট্রাকশন ফর একসেলেরেশন স্ট্রাটেজি) কৌশল হিসেবে বিবেচনা করছি। প্রথম ধাপ হচ্ছে অর্থনীতির পুনরুদ্ধার কার্যক্রম- যা এক বছর মেয়াদি। এই ধাপের মূল লক্ষ্য হচ্ছে অর্থনীতির অবনতির ধারা রোধ করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।’ 

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে চলমান সংকট মোকাবিলা করে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আনার পাশাপাশি সার্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার অধীনে প্রান্তিক ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সহায়তার আওতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সরকারি সেবা দ্রুততম সময়ে প্রদান, ব্যবসার লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং এ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে সমন্বিতভাবে সম্পাদন করা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ হচ্ছে অর্থনীতির উত্তরণ। আমরা মধ্যমেয়াদে অর্থনীতির উত্তরণ ঘটাতে চাই- যা বর্তমান সরকারের প্রথম তিন বছর মেয়াদের মধ্যে সম্পন্ন হবে। এ সময়ে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জন, রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার ও অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বৃদ্ধি, বিনিয়োগ ও বেসরকারি খাত উন্নয়ন, ব্যাংক ও আর্থিক খাত পুনর্গঠন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও বৈদেশিক খাত শক্তিশালীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং কৃষি, জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতে উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে।’

সবশেষে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনার তৃতীয় ধাপটি হচ্ছে অর্থনীতির পুনর্গঠন কার্যক্রম- যা আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সম্পন্ন করা হবে। এ সময়ে অর্থনীতির কাঠামোগত রুপান্তর, উৎপাদনশীল মানবসম্পদ তৈরি, বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধিতে উত্তরণ, শক্তিশালী আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি, বাণিজ্য বহুমুখীকরণ ও বৈশ্বিক সংযোগ বৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও টেকসই অবকাঠামো উন্নয়ন এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা হবে।’

নতুন পে স্কেলে বেতন বাড়বে দিগুণ থেকে আড়াইগুণ, অনুপাত ১:৯
  • ১২ জুন ২০২৬
ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা নিখোঁজ 
  • ১২ জুন ২০২৬
সীমান্তে পুশ-ইন ঠেকাতে জনতার পাহাড়া
  • ১২ জুন ২০২৬
চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপে শুভ সূচনা করল দক্ষিণ কো…
  • ১২ জুন ২০২৬
বিনামূল্যে অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছে মাধ্যমিক-কলেজের ৫ শতাংশ শি…
  • ১২ জুন ২০২৬
আদ দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল সঠিক সিদ্ধান্ত, তবে...
  • ১২ জুন ২০২৬
×