সোনার দাম বেড়েছে © সংগৃহীত
দেশের বাজারে আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। সমন্বয়ের পর আজ শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নতুন দামেই বিক্রি হচ্ছে মূল্যবান এই ধাতু।
নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে।
স্বর্ণালংকার ও রৌপ্যালংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এ ছাড়া নির্ধারিত ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলংকার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
আরও পড়ুন: সরকারি বেতন ১০০ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের অপেক্ষা
এর আগে সর্বশেষ গত ১১ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। এতে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা।
সেদিন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা। ওই দামও সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ১০২ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫১ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে। কমানো হয়েছে ৫০ দফা। আর এক দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল। কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
এদিকে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭৪ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৪১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ১৪৯ টাকায়। চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রুপার দাম ৬২ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে। কমানো হয়েছে ৩০ দফা।
অন্যদিকে, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১০ বার দাম বাড়ানো হয়। কমানো হয়েছিল মাত্র তিনবার।