জেমস ওয়েবে ধারণ করা নক্ষত্র সৃষ্টির নতুন ছবি প্রকাশ

১৪ জুলাই ২০২৩, ০৯:৫৩ AM , আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৫, ১১:৩৬ AM
জেমস ওয়েবে ধারণ করা নক্ষত্র সৃষ্টির নতুন ছবি প্রকাশ

জেমস ওয়েবে ধারণ করা নক্ষত্র সৃষ্টির নতুন ছবি প্রকাশ © সংগৃহীত

জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ ব্যবহার করে মহাজগতের নতুন নতুন ছবি তোলার প্রথম বর্ষপূর্তি উদ্‌যাপন করছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। মহাজগতের দুর্লভ ছবি প্রকাশ করে বিশ্বকে স্তম্ভিত করে দেয়ার এক বছর পর এবার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ থেকে নতুন ছবি প্রকাশ করা হয়েছে। ছবিটিতে মহাজগতে লাল রঙের গ্যাসের ফিনকি ভেসে বেড়াচ্ছে। আর সঙ্গে আছে ধুলার এক উজ্জ্বল কুণ্ডলী।

বুধবার (১২ জুলাই) নক্ষত্র সৃষ্টির নতুন এ ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। যা খুব কাছ থেকে তোলা হয়েছে। টেলিস্কোপটি ৩৯০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত পৃথিবীর নিকটতম তারকা-গঠন অঞ্চলের একটি অত্যাশ্চর্য নতুন চিত্র ধারণ করেছে। এক আলোক বর্ষ সমান ৯ দশমিক ৪৬ ট্রিলিয়ন বছর বা ১ লাখ কোটি বছর।

রো অফিউচি নামের ক্লাউড কমপ্লেক্স থেকে ছবিগুলো তোলা হয়েছে। রো অফিউচি ক্লাউড কমপ্লেক্স হলো পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের স্টেলার নার্সারি। এটি নতুন নতুন নক্ষত্র গঠনের স্থান হিসেবে পরিচিত।

নাসার অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বিল নেলসন বলেন, মাত্র এক বছরের মধ্যে জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ মহাজগৎকে মানুষের চোখের সামনে ভাসিয়ে তুলতে পেরেছে। এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো পৃথিবী থেকে অনেক দূরে অবস্থিত ধূলিমেঘ ও আলো অনেক কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে।

নাসা প্রকাশিত নতুন ছবি

বিল নেলসন আরও বলেন, প্রতিটি নতুন ছবি মানে নতুন আবিষ্কার। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা তাঁদের অনেক প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবেন, যা এক সময় তাঁরা কল্পনাও করেননি। জেমস ওয়েবের ছবিতে প্রায় ৫০টি নবগঠিত নক্ষত্র দেখা গেছে, যেগুলোর ভর আমাদের সূর্যের মতো কিংবা তার চেয়ে তুলনামূলক কম। জেমস ওয়েব কক্ষপথের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ফ্রেঞ্চ গায়ানা থেকে মহাকাশে পাঠানো হয়। 

এটি পৃথিবী থেকে ১৬ লাখ মাইল দূরে দ্বিতীয় ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট (এল-২) নামে একটি কক্ষপথে স্থাপন করা হয়। এর ধারণ করা প্রথম পূর্ণ রঙিন ছবি ২০২২ সালের ১১ জুলাই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন উন্মোচন করেন। এটি ১ হাজার ৩০০ কোটি বছর আগের আদি মহাবিশ্বের এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে পরিষ্কার দৃশ্য। 

স্পেস টেলিস্কোপ সায়েন্স ইনস্টিটিউটের জ্যোতির্বিদ ক্রিস্টিন চেন এএফপিকে বলেন, ছবির একেবারে নিচের দিকের অংশে নবগঠিত এবং যথেষ্ট উদ্দীপ্ত একটি নক্ষত্র দেখা গেছে। নক্ষত্রটি যে গ্যাস থেকে জন্মেছে, সে গ্যাস ও ধূলিমেঘের মধ্যে বুদ্‌বুদ তৈরি করছে। স্পেস টেলিস্কোপ সায়েন্স ইনস্টিটিউট জেমস ওয়েব টেলিস্কোপটি পরিচালনা করে থাকে।

সূত্র: রয়টার্স

এমসিসির মর্যাদাপূর্ণ আজীবন সদস্যপদ পেলেন তামিম
  • ২৯ জুন ২০২৬
তিনবার বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত রুয়েটের নাঈম কবির
  • ২৯ জুন ২০২৬
নবম পে-স্কেল: জুলাই থেকে শতভাগ বেসিক বাড়ছে সরকারি চাকরিজীবী…
  • ২৯ জুন ২০২৬
শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি রুখবে কে? চাপের মুখে টেক জায়া…
  • ২৯ জুন ২০২৬
ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মোটরসাইকেলের মহড়া, শিল্প এলাকায় আ…
  • ২৯ জুন ২০২৬
বাংলাদেশি এক চিকিৎসকের ফিলিস্তিনের গাজায় যাওয়ার গল্প
  • ২৯ জুন ২০২৬