বিশ্ব হার্ট দিবস © সংগৃহীত
আজ বিশ্ব হার্ট দিবস। প্রতিবছর ওয়ার্ল্ড হাৰ্ট ফেডারেশনের আয়োজনে ২৯ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপন করা হয়।
১৯৭১ সালে সুইজারল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত হয় ওয়ার্ল্ড হাৰ্ট ফেডারেশন। মূলত, ১৯৭৮ সালে স্থাপিত ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব কাৰ্ডিওলজি এবং ১৯৭০ সালে স্থাপিত ইন্টারন্যাশনাল কাৰ্ডিওলজি ফেডারেশন নামক প্রতিষ্ঠান দুটি একত্ৰিত হয়ে ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি এন্ড ফেডারেশন অব কাৰ্ডিওলজি গঠন করে। ১৯৯৮ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশন রাখা হয়।
হৃদরোগ, স্ট্রোক ইত্যাদি জীবননাশী রোগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ২০০০ সাল থেকে "বিশ্ব হৃদয় দিবস" পালন করে আসছে সংস্থাটি। ২০২২ সালের বিশ্ব হার্ট দিবসের প্রতিপাদ্য হলো ‘হৃদয় দিয়ে হৃদযন্ত্রের যত্ন নিন'। ওয়ার্ল্ড হাৰ্ট ফেডারেশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে এ তথ্য।
আরও পড়ুনঃ পিঠ ব্যথা কেন হয়?
ওয়ার্ল্ড হাৰ্ট ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর কার্ডিওভাসকুলার রোগের (সিভিডি) কারণে বিশ্বব্যাপী ১৭.৯ মিলিয়ন মানুষ মারা যায়। হৃদরোগ থেকে মৃত্যুর ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে এবং কীভাবে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যায় তার গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য বাৎসরিক ও আন্তর্জাতিক ভাবে এ দিবসটির পরিকল্পনা করা হয়। ‘হৃদয় দিয়ে হৃদযন্ত্রের যত্ন নিন'- এই থিম নির্বাচনের মাধ্যমে ওয়ার্ল্ড হাৰ্ট ফেডারেশন, সিভিডির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সারা বিশ্বের সকল মানুষকে একত্রিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্ব হার্ট দিবস মানুষকে সিভিডি প্রতিরোধ সম্পর্কে অবহিত করে। তামাক ব্যবহার, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার ঝুঁকিগুলি তুলে ধরে, যার সবগুলোই হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ প্রায় ৮০ শতাংশ অকাল মৃত্যুর কারণ। সর্বোপরি, ওয়ার্ল্ড হাৰ্ট ফেডারেশন বিশ্ব জুড়ে একটি স্বাস্থ্যকর-হৃদয় জীবনধারাকে উৎসাহিত করে।
প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ৩১ শতাংশ মানুষের মৃত্যু ঘটে নানা রকম হৃদরোগের কারণে । বাংলাদেশে বয়স্ক মানুষদের মৃত্যুর অন্যতম কারণ হলো হৃদরোগ।
ভৌগোলিক কারণেই অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ, ভারতসহ এসব অঞ্চলে হৃদরোগের ঝুঁকি বেশি। কারণ, আমাদের দেশের মানুষ অল্প বয়স থেকে ধূমপান করে, চর্বিযুক্ত খাবার বেশি খায়। কোন খাবার স্বাস্থ্যকর আর কোনটা অস্বাস্থ্যকর, সে বিষয়ে আমাদের দেশের অনেকেই অসেচতন থাকে। আবার ভৌগোলিক কারণে এ দেশের মানুষের উচ্চতা কম, কিন্তু ভুঁড়ি বড়, তাদের হৃৎপিণ্ডের করোনারি আর্টারি (ধমনি) সরু থাকে, যা সাধারণত অল্পতেই কোলেস্টেরলে বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।
হৃদরোগ বিষয়ে সচেতন থাকতে যা করণীয়: