ঔষধ দস্যুদের ভ্যাকসিন ডিসকোর্সে ঢুকতে দেয়া যাবে না

২৩ এপ্রিল ২০২১, ০৫:০৮ PM
অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ

অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ © ফাইল ফটো

খুবই দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে যে আমাদেরকে হয়তো এই মহামারি করোনাভাইরাসের সাথে অনেক অনেক বছর এক সাথে পথ চলতে হতে পারে। আমাদের হয়তো প্রতি বছরেই ১০০ মিলিয়ন ডোজ ভ্যাকসিন লাগতে পারে।

ফলে, আমাদের ভ্যাকসিন আমাদেরকেই বানাতে হবে। এক্ষেত্রে ফার্মা বেনিয়াদের খপ্পর থেকে দূরে থাকতে হবে। আমাদের সরকারি প্রতিষ্ঠান জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিিউট (আইপিএইচ) গত ৫০ বছর ধরে ভ্যাকসিন তৈরি করে। ঔষধ দস্যুদের কুনজর পড়ায় গত ৫ বছর ধরে এটি বন্ধ হয়ে আছে। 

রাশিয়ার সহযোগিতায় এটি পুনরায় চালু করে আগামী জুলাইয়ের শেষে আমাদের ভ্যাকসিন আমরা উৎপাদন এবং রপ্তানিও করতে পারবো। একটু আইনি ঝামেলা আছে কিন্তু সেটি প্রজ্ঞাপন দিয়ে দুই দিনেই ঠিক করা যাবে।

লেখক: অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আইপিএলে লজ্জার রেকর্ড বুমরাহর
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
নববর্ষ বরণে প্রস্তুত রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
‘বিসিএসের প্রশ্ন তৈরির সময় ৪ দিন আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকতে হয়, …
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
৩৫৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করল মাউশি, তালিকা দেখুন এখানে
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
মাদ্রাসাশিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
বাঙ্কার-টানেল বানিয়ে কোনো লাভ হবে না: সারজিস
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬