তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকার ও বহুমাত্রিক জনপ্রত্যাশা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান © টিডিসি সম্পাদিত

গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালে বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি জোট দুই-তৃতীয়াংশ আসনে বিজয় অর্জন করে সরকার গঠনের একটি ঐতিহাসিক ম্যান্ডেট লাভ করে। নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই সরকার গঠন কেবল একটি ক্ষমতার হস্তান্তর নয়, বরং রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি, দর্শন ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর পুনর্গঠন সম্পর্কিত প্রত্যাশার প্রতীক হিসেবেও গণ্য হচ্ছে।  

বিরোধী রাজনীতিতে তারেক রহমানের দীর্ঘকালীন অবস্থান, প্রবাস থেকে ধারাবাহিকভাবে নীতি নির্ধারণী বক্তব্য প্রদান, দলীয় সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং ৩১ দফাভিত্তিক সংস্কারমুখী প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে তিনি যে রাজনৈতিক ধারণা তৈরি করেছেন, তা ইতোমধ্যেই জনগণের মধ্যে বিশেষ মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব ফেলেছে। 

নির্বাচনের সময় প্রদত্ত ইশতেহারে প্রতিশ্রুত সুশাসন, জবাবদিহিতা, প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য, বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার সাধারণ মানুষের মনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ফলে নতুন সরকারের প্রতি বহুমাত্রিক জনপ্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, যা প্রশাসনিক সংস্কার, ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং কার্যকর গণতন্ত্রের বিস্তৃত প্রত্যাশার সঙ্গে যুক্ত।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত সরকারের প্রতি জনপ্রত্যাশা কয়েকটি মূল মাত্রায় শ্রেণিবদ্ধ করা যায়— গণতান্ত্রিক পুনর্বিন্যাস, সুশাসন ও জবাবদিহিতা, আইনশৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচার, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক উন্নয়ন, রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক এবং তরুণ সমাজের অংশগ্রহণ।

গণতান্ত্রিক পুনর্বিন্যাস নতুন সরকারের প্রতি সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা হলো শক্তিশালী, কার্যকর এবং টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। দীর্ঘদিনের ফ্যাসিবাদী শাসনের অভিজ্ঞতায় জনগণ আস্থার সংকটে রয়েছে। তারা কেবল নির্বাচনের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং কার্যকর, অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য রাজনৈতিক পরিবেশ প্রত্যাশা করে। তারা চায় সংসদ কার্যকরভাবে আইন প্রণয়ন করবে, রাজনৈতিক বিরোধিতা নীতিগত প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সমাধান হবে এবং নাগরিক অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা যথাযথভাবে রক্ষিত হবে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার শক্তিশালীকরণ, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সরকারের মূল দায়িত্ব হিসেবে বিবেচিত হবে। এ ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও কার্যকর গণতন্ত্র জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক বিশ্বাস ও দায়িত্বশীলতার সংস্কৃতিকে প্রসারিত করবে।

সুশাসন ও জবাবদিহিতা
সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা জনগণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাশা। দীর্ঘদিনের দমনমূলক শাসনের অভিজ্ঞতায় জনগণ বুঝেছে যে, শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন প্রশাসন ও বিচার ব্যবস্থায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা। এই অবস্থায় মানুষ আশা করে, সরকার হবে স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ, যেখানে দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কোনো সুযোগ থাকবে না। সরকারি ও বিচারিক প্রক্রিয়া ন্যায়নিষ্ঠভাবে পরিচালিত হবে এবং নীতি নির্ধারণে জনগণের স্বার্থ ও মত গুরুত্ব পাবে। বর্তমান সরকার জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে কার্যকর সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারলে, কেবল প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি হবে না, বরং জনগণের আস্থা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সংস্কৃতিকেও দৃঢ় করবে। এভাবেই একটি স্থিতিশীল, ন্যায়সংগত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের ভিত্তি গড়ে ওঠবে। 

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সরকারের অপরিহার্য দায়িত্ব। জনগণ আশা করে, পুলিশ ও নিরাপত্তা সংস্থা হবে পেশাদার, জনবান্ধব এবং দায়িত্বশীল। অপরাধ দমন কার্যক্রম হবে নিরপেক্ষ ও সমন্বিত এবং আইন প্রয়োগে কোন ধরনের পক্ষপাত থাকবে না। বিচারপ্রাপ্তি হবে সহজ, স্বচ্ছ এবং ব্যয়সাশ্রয়ী। এই প্রত্যাশা পূরণে সরকারকে কাঠামোগত সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। যদি তা করে তবে আইনশৃঙ্খলা ও ন্যায়বিচারের মান বৃদ্ধি পাবে, জনগণের মধ্যে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও শাসনের প্রতি আস্থা দৃঢ় হবে এবং সমাজে শান্তি ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত হবে।

অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জীবনমানের উন্নয়ন
বাংলাদেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি অর্জন নতুন সরকারের জন্য অন্যতম চ্যালেঞ্জ। মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থানের ঘাটতি, বিনিয়োগ স্থবিরতা এবং বৈদেশিক ঋণ ও লেন-দেনের চাপ মানুষের জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করছে। জনগণ প্রত্যাশা করে, সরকার বাস্তবধর্মী নীতি গ্রহণ করবে- যা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বাজারে শৃঙ্খলা, বাজেট ও কর কাঠামোর স্বচ্ছতা, বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে। নতুন শিল্প-উদ্যোগ ও প্রযুক্তি বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং উদ্যোক্তা সহায়তার বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। এর মাধ্যমে কেবল অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে না, জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক বৈষম্য হ্রাস এবং একটি সমৃদ্ধ সমাজের ভিত্তি গড়ে উঠবে।

সামাজিক সুরক্ষা ও উন্নয়ন
শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে দৃশ্যমান সংস্কারের প্রত্যাশা রয়েছে জনমনে। জনগণ আশা করে শিক্ষাব্যবস্থাকে কর্মমুখী, গবেষণানির্ভর ও প্রযুক্তি-সমন্বিত করা হবে। কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার ঘটানো হবে। স্বাস্থ্য খাতে প্রাথমিক সেবা জোরদার করা, সরকারি হাসপাতালের মানোন্নয়ন, ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণও প্রত্যাশিত। দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি কার্যকর করা হবে। এ ধরনের পদক্ষেপ জনগণের মধ্যে সরকারের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং নাগরিক অধিকার রক্ষা নিশ্চিত করবে।

রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন
বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তনও বহুল প্রত্যাশিত। দীর্ঘকালীন ফ্যাসিবাদী শাসন ও প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির দুঃসহ অভিজ্ঞতার পর জনগণ নতুন সরকারের কাছ থেকে সহনশীলতা, ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা এবং নীতিভিত্তিক সংলাপের রাজনীতির চর্চা প্রত্যাশা করছে। জনগণ চায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং নাগরিক মতপ্রকাশের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। এতে সামাজিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে, নাগরিক সমাজ শক্তিশালী হবে এবং অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব হবে।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতি
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও কূটনীতির ক্ষেত্রে জনগণ নতুন সরকারের কাছে ভারসাম্যপূর্ণ ও বাস্তববাদী পদক্ষেপ আশা করছে। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশকে স্থিতিশীল ও শক্তিশালী অবস্থানে রাখতে সরকারকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণ, প্রবাসী শ্রমবাজার সম্প্রসারণ, বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিত সম্পর্ক তৈরি করা সরকারের প্রধান লক্ষ্য হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংহতি, ভূ-রাজনৈতিক স্থিতি এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

উন্নয়ন প্রক্রিয়া তরুণ সমাজের অংশগ্রহণ
বাংলাদেশের জনমিতিক বাস্তবতায় তরুণরা বড় অংশ। তরুণ জনগোষ্ঠী সরকারের দেশ পরিচালনা ও উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করতে চায়। তারা কেবল ভোটার নয়, বরং নীতি প্রস্তাবক, উদ্ভাবক ও নেতৃত্ব প্রদানকারীর ভূমিকা পালনে বিশেষভাবে আগ্রহী। বস্তুত বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDGs) অর্জনের ক্ষেত্রে তরুণ সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তাদের উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও পরিবর্তনমুখী মানসিকতা উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে পারে। 

দারিদ্র্য হ্রাস, মানসম্মত শিক্ষা, জলবায়ু মোকাবিলা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মতো ক্ষেত্রগুলোতে তরুণদের সম্পৃক্ততা সরকারের নীতি বাস্তবায়নকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলতে পারে। বিশেষত ডিজিটাল উদ্ভাবন, সামাজিক উদ্যোক্তা উদ্যোগ, স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ড এবং নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তরুণরা স্থানীয় সমস্যা সমাধানে বাস্তবভিত্তিক অবদান রাখতে পারে। অতএব, দক্ষতা উন্নয়ন, মানসম্মত শিক্ষা, নেতৃত্ব বিকাশ ও অংশগ্রহণমূলক প্ল্যাটফর্‌ম তৈরির মাধ্যমে তরুণদের সক্ষম করে তোলা হলে বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের পথে আরও দ্রুত ও স্থিতিশীল অগ্রগতি অর্জন করতে সক্ষম হবে।

বাংলাদেশে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে যে সরকার গঠিত হয়েছে- তা কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং ন্যায়ভিত্তিক, স্বচ্ছ এবং অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি বহন করছে। কার্যকর গণতন্ত্র, সুশাসন, জবাবদিহিতা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতি—এসব ক্ষেত্রেই এই সরকারের কাছে জনগণের প্রত্যাশা রয়েছে।

সরকার যদি নির্বাচনের আগে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতির আলোকে বাস্তববাদী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়, তবে কেবল জনপ্রত্যাশা পূরণ নয়, বাংলাদেশ একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আধুনিক ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে মর্যাদা ও স্থায়িত্ব অর্জন করবে। অন্যথায় প্রত্যাশা ও বাস্তবতার ব্যবধান রাজনৈতিক চাপে পরিণত হবে। তবে জনমতের সমীক্ষা ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আশা প্রকাশ করা যায় যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বর্তমান সরকার জনপ্রত্যাশা পূরণে সফল হবে।

লেখক: ডিন, কলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি

মিশরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮
  • ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন মৌমাছির কামড়ে প্রাণ হারালেন আম্পায়ার
  • ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নিরাপত্তাজনিত হুমকি নেই: র‌্যাব
  • ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নিজ এলাকায় ভূমি প্রতিমন্ত্রীকে ‘গার্ড অব অনার’
  • ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিল জামায়াত
  • ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সাবেক ভূমিমন্ত্রীর স্ত্রীর গাড়ি চালক গ্রেপ্তার
  • ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬