দেশ ও জনগণের জন্য উৎসর্গীকৃত জীবন: বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়

০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:১৭ PM , আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৫৫ PM
খালেদা জিয়া ও ড. সালমা বেগম

খালেদা জিয়া ও ড. সালমা বেগম © টিডিসি সম্পদিত

৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক শোকাবহ দিন। আকাশে ম্লান আলো। আজ আমাদের কণ্ঠ ভারী, হৃদয় ভারাক্রান্ত। বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের সংবাদে দেশজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। আমরা হারিয়েছি এমন এক মহান মানবিক ব্যক্তিত্বকে, যিনি শুধু ক্ষমতার শীর্ষে ছিলেন না, বরং সংগ্রাম, সাহস ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের এক প্রতীক হয়ে ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে আর নেই। এই সংবাদ শুধু একজন ব্যক্তির বিদায় নয়, বরং এটি একটি দীর্ঘ রাজনৈতিক যুগের সমাপ্তি।

বেগম খালেদা জিয়া আমাদের শারীরিকভাবে ছেড়ে চলে গেছেন, কিন্তু তাঁর সংগ্রাম, দর্শন ও আদর্শ মহাকালের জন্য আমাদের প্রেরণা হয়ে থাকবে। তিনি ছিলেন একজন স্ত্রী, একজন মা এবং একজন সাধারণ নারী। কিন্তু সময়ের নিষ্ঠুর বাস্তবতায় তিনি হয়ে উঠেছিলেন একজন অসাধারণ নেত্রী। ব্যক্তিগত জীবনের অপূরণীয় ক্ষতি তাঁকে ভেঙে দেয়নি, বরং তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে। তাঁর নেতৃত্ব, সাহস এবং জনগণের জন্য ত্যাগ কখনো ম্লান হবে না।

দল মত নির্বিশেষে দেশ হারাল এক অভিজ্ঞ রাজনৈতিক কণ্ঠস্বরকে। সমর্থক ও সমালোচক সবার কাছেই তিনি ছিলেন একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক বাস্তবতা। তাঁর সিদ্ধান্ত, বক্তব্য ও উপস্থিতি জাতীয় আলোচনাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করত। তাঁর জীবনের পথচলা ছিল সংগ্রামমুখর, আর সেই সংগ্রামই তাঁকে ইতিহাসে আলাদা করে চিহ্নিত করেছে।১৯৮১ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বেগম খালেদা জিয়া রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ব্যক্তিগত শোক ও প্রতিকূলতার মাঝেও তিনি দ্রুত নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারপারসন হিসেবে। তাঁর নেতৃত্বে দলটি একটি শক্তিশালী গণভিত্তিক রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়। ১৯৮০ এর দশকের শেষভাগে স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনে তিনি ছিলেন আন্দোলনের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানে তাঁর দৃঢ় নেতৃত্ব স্বৈরশাসনের পতনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করেন যে সংগ্রাম ও দৃঢ় সংকল্পের মাধ্যমেই গণতন্ত্র রক্ষা সম্ভব।

বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন অবিচল নেত্রী, যিনি নারীর ক্ষমতায়ন, দেশের গণতন্ত্র ও জনকল্যাণের পক্ষে সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। তিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর শাসনামলে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, নির্বাচন প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণ, শিক্ষা, খাদ্য নিরাপত্তা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আমরা হারিয়েছি এমন এক নেত্রীকে, যিনি নারীর ক্ষমতায়ন, গণতন্ত্র এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে অবিচল ভূমিকা রেখেছেন। বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নন। তিনি ছিলেন সংগ্রামী নারী, শিক্ষার প্রতীক এবং গণতান্ত্রিক রাজনীতির দৃঢ় সৈনিক। পুরুষপ্রধান রাজনীতির পরিসরে দাঁড়িয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে নারী নেতৃত্ব কেবল প্রতীকী নয়, বরং কার্যকর ও সিদ্ধান্তমূলক। অসংখ্য নারী তাঁর সাহস ও দৃঢ়তা থেকে অনুপ্রেরণা গ্রহণ করেছে। তিনি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক পরিসরে নারীর ক্ষমতায়নের এক শক্তিশালী উদাহরণ হিসেবে স্বীকৃত।

নারীর শিক্ষায় অংশগ্রহণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বেগম খালেদা জিয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। প্রাথমিক স্তরে মেয়েদের স্কুলে ভর্তি বাড়াতে স্টাইপেন্ড ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। এসব উদ্যোগের ফলে শিক্ষিত নারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং বাল্যবিবাহ হ্রাস পায়। এই শিক্ষিত নারীরা পরবর্তীতে কর্মসংস্থান ও নেতৃত্বের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে নারীদের জন্য অর্থনৈতিক সুযোগ সম্প্রসারিত হয়। সরকারি চাকরি, পুলিশ, স্থানীয় সরকার এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নারীদের জন্য কোটা ও সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়। এর ফলে নারীরা সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান দৃঢ় করতে সক্ষম হন। ১৯৯২ সালে তিনি হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রিত হন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক মহলের মনোযোগ আকর্ষণ করেন। বিভিন্ন বৈশ্বিক ফোরামে তাঁর বক্তব্য বাংলাদেশের নীতি ও অবস্থান বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে।

বেগম খালেদা জিয়ার জীবন কেবল রাজনৈতিক নেতৃত্বের গল্প নয়। এটি শিক্ষা, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, নারী নেতৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিকতার এক দীর্ঘ অধ্যায়। তাঁর উদ্যোগ ও দৃঢ়তা দেশের নারীদের জীবন ও ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হিসেবে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে।

২০০৫ সালে Forbes পত্রিকা এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন বিশ্বের সর্বাধিক শক্তিশালী নারীর তালিকা প্রকাশ করে। এই তালিকা শুধু ক্ষমতা বা পদ নয়, বরং সাহস, দৃষ্টি, নেতৃত্ব এবং নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে। এ তালিকায় স্থান পাওয়া একমাত্র বাংলাদেশি নারী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ২০০৫ সালে Forbes তাঁর শক্তিশালী নেতৃত্বকে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি দেয়।

তিনি শুধু প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষার প্রসার, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশের প্রতিনিধিত্বের এক শক্তিশালী প্রতীক ছিলেন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের জন্য মাইক্রোক্রেডিট ও চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করেন। গার্মেন্টস শিল্পের প্রসারের মাধ্যমে লাখ লাখ নারী শ্রমিকের জীবনমান উন্নত হয়। হোয়াইট হাউসে আমন্ত্রণ পেয়ে তিনি আন্তর্জাতিক নীতি ও মানবাধিকার ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান দৃঢ় করেন।

সংগ্রামের এক অনন্য প্রতীক ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি শুধু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী নন। তিনি ছিলেন এক দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতীক, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের মুখপাত্র এবং দক্ষিণ এশিয়ার নারী নেতৃত্বের এক শক্তিশালী উদাহরণ।

তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায়গুলোর একটি ছিল কারাবন্দিত্ব।২০০৭ সাল ছিল বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক সংকটকাল। জরুরি আইন প্রবর্তনের সময় তিনি আটক হন। রাজনৈতিক পরীক্ষার সময় একজন নেত্রী তাঁর আদর্শের সঙ্গে দৃঢ় থাকেন। কারাগারের অন্ধকারেও তিনি আশা ও বিশ্বাসের আলো জ্বালিয়ে রাখেন।

২০০৭ সালে তিনি গ্রেফতার হন। তিনি কারাবন্দি থাকাকালীন সময়েও শারীরিক অসুস্থতা ও অসহনীয় মানসিক চাপের মধ্যেও দলের নেতৃত্ব বজায় রাখেন। এই সময়কাল প্রমাণ করে যে সত্য ও আদর্শের প্রতি অবিচল থাকা মানেই শক্তি। সীমিত যোগাযোগের মধ্যেও তিনি নিজের বিশ্বাসে স্থির ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বের প্রকৃত শক্তি ছিল ভয়কে শক্তিতে রূপান্তর করার ক্ষমতা,তাঁর কারাবন্দিত্ব শুধু একটি রাজনৈতিক অধ্যায় নয়। এটি সংগ্রামের গল্প, সাহসের প্রতীক এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর অবিচল সমর্পণের প্রমাণ।

বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি। গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার প্রশ্নে তাঁর অবস্থান ছিল দৃঢ় ও স্পষ্ট। বহু প্রতিকূলতা, রাজনৈতিক সংঘাত ও ব্যক্তিগত দুঃখ অতিক্রম করে তিনি নিজেকে দেশের প্রথম সারির নারী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ একাধিকবার নির্বাচনী রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ বাঁক অতিক্রম করেছে।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়। স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলনে এবং ১৯৯০ সালের গণআন্দোলনের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান ও কৌশলগত ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর শাসনামলে রাষ্ট্র পরিচালনায় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, সংসদের কার্যকর ভূমিকা এবং বহুদলীয় রাজনীতির চর্চা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে তিনি রাজনৈতিক বিরোধিতা, সংকট ও তীব্র সমালোচনার মধ্য দিয়েও নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন, যা গণতান্ত্রিক রাজনীতির স্বাভাবিক বাস্তবতাকেই প্রতিফলিত করে। বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ছিল ধারাবাহিক প্রতিকূলতায় পরিপূর্ণ। কারাবরণ, রাজনৈতিক চাপ এবং শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তিনি দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন। এই দিকটি তাঁকে একজন স্থিতিশীল ও দৃঢ় রাজনৈতিক নেত্রী হিসেবে চিহ্নিত করে, যা নেতৃত্ব তত্ত্ব অনুযায়ী রাজনৈতিক সহনশীলতা ও দৃঢ়তার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

বেগম খালেদা জিয়া বারবার উচ্চারণ করেছেন যে ধ্বংস নয়, প্রতিহিংসা নয়, শান্তি ও সহমর্মিতার ভিত্তিতেই একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। তাঁর মতে, আমাদের উচিত একটি ঐক্যবদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণ করা, যেখানে নানা মতভেদ থাকা সত্ত্বেও সবাই মিলেমিশে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে। ৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখে তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অটুট অগ্রগতি রক্ষার জন্য জাতিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

বেগম খালেদা জিয়া তাঁর জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন দেশের মানুষের কল্যাণ, গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং জাতির সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য। তিনি ছিলেন একজন সাহসী নারী নেতা, যিনি কখনো ব্যক্তিগত কষ্টের কাছে হার মানেননি। তাঁর জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল দেশের জন্য ত্যাগ এবং জনগণের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের প্রতিফলন। তিনি নিজেই বলেছিলেন, আমার জীবন দেশের জন্য, আমার হৃদয় জনগণের জন্য।

বেগম খালেদা জিয়ার জীবন, সংগ্রাম ও নেতৃত্ব বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। এটি আগামী প্রজন্মকে দেখাবে, কীভাবে একজন মানুষ নিজের জীবনকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে উৎসর্গ করতে পারেন। সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে আলোচিত। এই ব্যবস্থার অধীনে দেশে একাধিক জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যা বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত।

তাঁর সংগ্রাম, সাহস ও নেতৃত্ব আমাদের শিক্ষা দেয় যে ভয় নয়, বিশ্বাসই শক্তি এবং সংগ্রামই পথপ্রদর্শক। বেগম খালেদা জিয়া আমাদের দেখিয়েছেন, একজন নারীর নেতৃত্ব কতটা শক্তিশালী হতে পারে এবং একজন নেত্রী কীভাবে ইতিহাসকে আলোকিত করতে পারেন। আজ আমরা শুধু একজন নেত্রীকে হারাইনি। আমরা হারিয়েছি সংগ্রামের এক প্রতীক, সাহসী নারীর এক অনন্য উদাহরণ এবং গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল সমর্পণকারী এক শক্তিশালী কণ্ঠস্বর।

বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেতা বা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না। তিনি ছিলেন সকল রাজনৈতিক মঞ্চে পরিচিত একজন সাহসী, আপসহীন ও আদর্শনিষ্ঠ নেত্রী। তিনি আজ আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ ও জীবন দর্শন চিরকাল আমাদের পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে। তাঁর শারীরিক উপস্থিতি না থাকলেও তাঁর চিন্তাধারা, রাজনৈতিক দর্শন, সংগ্রামের পদ্ধতি, আদর্শ এবং মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা আমাদের হৃদয়ে চিরজাগরুক থাকবে।

আমাদের কর্তব্য কেবল তাঁকে স্মরণ করা নয়। তাঁর দর্শনকে চর্চা করতে হবে, বিশ্লেষণ করতে হবে এবং বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে। তাঁর আদর্শকে জীবন্ত রাখতে হবে। বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অনুপস্থিতি আমাদের ব্যথিত করে, কিন্তু তাঁর দর্শন আমাদের নিরন্তর প্রেরণা জোগায়। তাঁর জীবন ও আদর্শের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য দলীয় কার্যক্রম, গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জনগণের কল্যাণে কাজ চালিয়ে যাওয়াই হবে তাঁর প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।

লেখক: ড. সালমা বেগম, অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ব্যাটিং ব্যর্থতায় পাকিস্তানের কাছে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে বড় হার
  • ১৪ মার্চ ২০২৬
মহিলা জামায়াতের ইফতারে বাধা দিতে গিয়ে সংঘর্ষে আহত বিএনপি নে…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
সংসদে ‘যুদ্ধাপরাধী’দের নামে শোকপ্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল উদ…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
এতিম জান্নাতীর চিকিৎসায় পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক র…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
জান দেব, জুলাই দেব না— সনদ বাস্তবায়নের লড়াইয়ে ছাড় নয়: এমপি …
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
লেবাননের জন্য জাতিসংঘের ৩২৫ মিলিয়ন ডলারের মানবিক সহায়তা আ…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081