সোফি হলে ট্রুডোর মত প্রেমিককে ছাড়তাম না: তসলিমা নাসরিন

০৪ আগস্ট ২০২৩, ০২:০২ PM , আপডেট: ২৬ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৩০ PM
তসলিমা নাসরিন, জাস্টিন ট্রুডো ও সোফি

তসলিমা নাসরিন, জাস্টিন ট্রুডো ও সোফি © সম্পাদিত

বিশ্বজুড়েই ব্যক্তিত্বের কারণে বেশ সুনাম রয়েছে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর। স্ত্রী সোফির সাথে তার ১৮ বছরের সংসার ছিল বিশ্বের অনেক দম্পতির জন্যই উদাহরণ। তবে সবাইকে অবাক করে সম্প্রতি বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন এ দম্পতি।

তাদের এ বিচ্ছেদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনা-সমালোচনা তৈরি করেছে। এ বিষয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেছেন ভারতে নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখক তসলিমা নাসরিনও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের আইডিতে দেয়া তার পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

আমি তো ডিভোর্স দিতে খুব পারি। ভাবতাম দুনিয়াতে আমিই বুঝি খুঁতহীন নির্ভেজাল সম্পর্ক চাই,  ছোটলোকির সঙ্গে, প্রভুত্ব ফলানোর সঙ্গে আপোস একেবারেই করি না। এখন দেখছি আমার চেয়েও বেশি নিখুঁত সম্পর্কে বিশ্বাস করেন সোফি গ্রেগরী। আমি যদি সোফি গ্রেগরী হতাম, কোনও দিনই জাস্টিনের মতো এমন সুদর্শন, আদর্শবান, এমন মানবিক এবং এমন পাগল করা প্রেমিককে ত্যাগ করতাম না।

সোফি গ্রেগরী আলাদা হয়েছেন জাস্টিন ট্রুডো থেকে। এমন নিখুঁত সুপুরুষের কি সত্যিই কোনও খুঁত থাকতে পারে! আসলে দূর থেকে আমরা কোনও দিনই জানবো না কী কারণে স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। তারপরও আমার একটি আশা, কিছুদিন পর যখন স্বামী স্ত্রী তাদের সন্তানদের নিয়ে পারিবারিক ছুটি কাটাবেন, তখন পরস্পরের প্রতি তাদের যে তীব্র ভালবাসা, সেটি এক ফুৎকারে তাঁদের অভিমান, অভিযোগ, আর অসন্তোষগুলোকে তুলোর মতো উড়িয়ে দেবে। শুধু আশায় বসতি! আমার আশা পূরণ না হওয়ার সম্ভাবনাই সম্ভবত বেশি।

পৃথিবীর কতো সুখী দম্পতির ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল। কত আদর্শবান জুটির তালাক হয়ে গেল। আমরা বাইরে থেকে শুধু কল্পনা করে নিই উপন্যাসের নায়কের মতো, সিনেমার হিরোর মতো এক একজন পছন্দের পুরুষকে, যেন তাঁরা অনৈতিক কিছু করতে পারেন না।

বিল ক্লিনটনকে নিয়েও তো এমনই ভেবেছিল গোটা জগৎ। কিন্তু দেখল তারও স্খলন হয়েছে, এত বড় স্খলনের পরও কিন্তু বিলের স্ত্রী বিলকে ডিভোর্স দেয়নি। আর জাস্টিনের কোনও স্খলন না থাকলেও সম্পর্ক চুরমার হয়ে গেল। হয়তো সোফিই নতুন কোনও সম্পর্কে জড়িয়েছেন কে জানে! অথবা কে জানে জাস্টিনই উভকামী কি না!

কেন অন্যের ব্যক্তিগত ব্যাপারে নাক গলাচ্ছি! নাক থাকলে নাক গলাতেই হয়। পাবলিক ফিগারদের জীবন পাবলিকের। পাবলিক তাদের নিয়ে গবেষণা করবে। তাদের চরিত্রের চুলচেরা বিশ্লেষণ করবে। পাবলিক তাঁদের জন্য হা-হুতাশ করবে, কাদবে। পাবলিক তাঁদের সুখে সুখী হবে। পাবলিক ছাড়া তাঁদের চলে না। পাবলিকেরও তাঁদের ছাড়া চলে না।  

সুখী হওয়াটাই আসল। নিজের জীবন দিয়ে জানি আমি যখন একা, আমি সুখী। দুতিনটে টক্সিক মাসক্যুলিনিটির কবল থেকে দ্রুত মুক্ত হয়ে আমি একা একাই ভাল থাকি। কিন্তু টক্সিক না হয়ে সম্পর্ক যদি ভালবাসাময় হতো! তাহলে ভালবাসা আঁকড়ে পড়ে থাকতাম সবটা জীবন। আসলে ভালবাসা ছেড়ে কেউ কোথাও যায় না। যারা যায়, অবিশ্বাসের সাপ তাদের ছোবল দিতে চায় বলেই যায়।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে: বিদ্য…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতায় ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়-বিআইডি…
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
সেপ্টেম্বরে বাজারে আসছে আইফোন ১৮ প্রো, সব মডেলেই বাড়বে দাম
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
তথ্য সংগ্রহকারী পদে বিএনপি নেতার স্ত্রী-মেয়ে-ভাতিজা-ভাতিজি …
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
অ্যাকাডেমিক মাইগ্রেশনের দাবিতে ঢাকা কলেজের মূল ফটকে তালা
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
ময়মনসিংহ নগরীতে দুপুরে প্রকাশ্যে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬