এনটিআরসিএ’র নিয়োগ পেয়ে স্কুল-কলেজে গিয়ে দেখলেন ‘পদ ফাঁকা নেই’

১৬ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ PM , আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:০২ PM
প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি © এআই সৃষ্ট ছবি

৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে টাঙ্গাইলের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুপারিশ পেয়েছিলেন রামিসা। রামিসা যে বিষয়ে শিক্ষক নিবন্ধন সনদ অর্জন করেছিলেন ওই বিষয়ে পদ ফাঁকা না থাকলেও চাহিদা দিয়েছিল সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক। ফলে যোগদান করলেও এখনো এমপিওভুক্ত হতে পারেননি তিনি। শুধু রামিসাই নয়; ৬ষ্ঠ এবং ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত ১৮৫ জন শিক্ষক এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। ভুল চাহিদায় সুপারিশের কারণে বেতন ছাড়াই দীর্ঘিদিন ধরে পাঠদান দিয়ে যাচ্ছেন তারা। বেতন না পাওয়ায় চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন তারা।

জানা গেছে, গত ২৮ জানুয়ারি ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতিতে আবেদনকৃতদের নিয়োগ সুপারিশ করে এনটিআরসিএ। সুপারিশের পর ফেব্রুয়ারি মাসে ভুক্তভোগী শিক্ষকরা যোগদান করেন। যোগদানের পর তারা জানতে পারেন ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার কথা। পরবর্তীতে এনটিআরসিএতে যোগাযোগ করলে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠানপ্রধানের প্রত্যয়নপত্রসহ আবেদন করার পরামর্শ দেয়। প্রতিষ্ঠানপ্রধানরা তাদের প্রত্যয়নপত্রে ‘ভুলবশত’ চাহিদা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রত্যয়নপত্র দেয়। সেই প্রত্যয়নপত্র দিয়ে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেন ভুক্তভোগীরা। সমস্যা সমাধানে ১৮৫ জনকে প্রতিস্থাপন করার কথা থাকলেও এখনো সেটি করতে পারেনি এনটিআরসিএ।

এ বিষয়ে এনটিআরসিএ’র উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুর রহিম খোন্দকার দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধানের ভুলের কারণে এমনটি হয়েছে, এতে শিক্ষকদের কোনো ত্রুটি নেই। ভুক্তভোগী শিক্ষকদের বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি সভা হয়েছে। আশা করছি শিগগিরই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে এবং তাদের প্রতিস্থাপন করা হবে।’

এদিকে গতকাল সোমবার ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তিতে ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্তরা এনটিআরসিএ বরাবর একটি আবেদন করেন। আবেদনে ভুক্তভোগীরা জানান, ৬ষ্ঠ ও ৭ম গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা প্রতিষ্ঠানে যোগদান করার পর, অনেক ক্ষেত্রে যে পদে সুপারিশ করা হয়েছে সেই পদে প্রকৃতপক্ষে কোনো শূন্য পদ নেই অথবা পদটি পূর্বেই সমন্বয়/বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে এমপিওভুক্তি ও মাসিক বেতন আদেশ (এমপিও) প্রাপ্তি সম্ভব হচ্ছে না। 

অনেকেই সুপারিশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করার পর বিষয়টি জানতে পারে। এতে পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন  হতে হচ্ছে। চাকরিতে যোগদানের জন্য অনেকেই বাসস্থান পরিবর্তন, যাতায়াত ব্যয় এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ বহন করেছেন। কিন্তু ভুল চাহিদাজনিত কারণে বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তা ও হতাশার মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতির জন্য প্রার্থীরা কোনোভাবেই দায়ী নন। ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত সকল প্রার্থীর জন্য দ্রুত রি-সুপারিশের ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার বলে আবেদনে বলা হয়।

ভুল চাহিদায় সুপারিশপ্রাপ্ত মকবুল হোসেন নামে এক শিক্ষক দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘রি-সুপারিশের জন্য গত ফেব্রুয়ারি থেকে আবেদন করে আসছি। এখন পর্যন্ত আমরা ১৮৫ এমন সমস্যায় পড়েছি এবং আবেদন করেছি। কিন্তু আবেদনের পর থেকেই আমরা সবাই যোগাযোগ করলেও এনটিআরসিএ বলছে কাজ করছে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে কাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি পাচ্ছি না। 

তিনি বলেন, আমাদের সমস্যাটি নিয়ে গতকাল সোমবার এনটিআরসিএ চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে গেলে আমাদেরকে একজন উপসচিবের সঙ্গে কথা বলতে বলেন এবং দেখা করে আমাদের সমস্যাটির কথা জানিয়েছি। 

৩ জাহাজে সেন্টমার্টিন গেলেন ১৫৫৪ পর্যটক, ভাড়া বেশি হওয়ায় অস…
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
ঢাকায় চালু হচ্ছে দুই মনোরেল, চলবে কোন পথে?
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস যেভাবে হলো
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
অর্ধবার্ষিকে ৯৭ শতাংশ নম্বর, ছেলেকে ৩ কোটি মূল্যের বিএমডব্ল…
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
রোনালদোবিহীন পর্তুগালের প্রথম দল ঘোষণা, দলে একাধিক চমক
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
আরও ১৭ বেসরকারি স্কুল-কলেজ জাতীয়করণের উদ্যোগ
  • ০৬ নভেম্বর ২০২৬
×
NORTH SOUTH
UNIVERSITY Center of Excellence
UNDERGRADUATE
ADMISSION
SPRING 2027
APPLY NOW
APPLICATION DEADLINE
NOVEMBER 22, 2026
ADMISSION TEST
NOVEMBER 28, 2026
WORLD RANKINGS 2027#801-1000
WORLD RANKINGS 2027#901-950