বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৭ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে ‘৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি’ প্রকাশের তোড়জোড় শুরু হয়েছিল বেশ আগেই। বিষয়টি নিয়ে দফায় দফায় সভাও করা হয়েছে। তবে সিলেবাস অনুমোদন, নীতিমালা প্রকাশ এবং নতুন চেয়ারম্যানের যোগদান নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। নতুন করে কোনো সুখবরও দিতে পারছে না নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানও।
বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) একটি সূত্র জানিয়েছে, ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পূর্বে নতুন সিলেবাস প্রকাশ করতে হবে। সংশোধিত সিলেবাস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে রয়েছে। তবে সেটি এখনো অনুমোদিত হয়নি। সিলেবাস অনুমোদনের পাশাপাশি নতুন পদ্ধতিতে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের নীতিমালাও জারি করতে হবে।
সূত্রের তথ্য বলছে, এনটিআরসিএর নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন রাজা মো. আব্দুল হাই। তবে তিনি গত সোমবার পর্যন্ত অফিস করেননি। গত বৃহস্পতিবার তিনি একদিন এনটিআরসিএ অফিসে গিয়েছিলেন। নতুন চেয়ারম্যানের যোগদান না হওয়ায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কাজে গতি আসছে না। এর ফলে ৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি কবে প্রকাশিত হবে সেটি নিশ্চিতভাবে বলতে পারছে না এনটিআরসিএ।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘৯ম শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কার্যক্রম অনেকটাই থমকে রয়েছে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পূর্বে অনেক কাজ রয়েছে। সেগুলো শেষ না করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সম্ভব হবে না। এজন্য চাকরিপ্রার্থীদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।’
এদিকে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের তথ্য পেয়েছে এনটিআরসিএ। সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ সহকারী শিক্ষকের, ৪৪ হাজার ৬৯১টি।
এছাড়া সহকারী শিক্ষক (ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা) ৯২৮; সহকারী শিক্ষক/শরীরচর্চা প্রশিক্ষক: ৪,০১৪; সহকারী মৌলভি ১১ হাজার ৬৯; কম্পিউটার ব্যবহারিক নির্দেশক ১২৯; ব্যবহারিক নির্দেশক ১ হাজার ৬১৬; ইবতেদায়ি কারি ২ হাজার ৫৬৩; ইবতেদায়ি মৌলভি ৬ হাজার ১৬৬; ইবতেদায়ি শিক্ষক ৪৪৪; প্রশিক্ষক ৫১; প্রভাষক ৫ হাজার ৮৫২; শারীরিক শিক্ষা প্রশিক্ষক ১২৫ এবং বাণিজ্য প্রশিক্ষক ২৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।