এনটিআরসিএ © ফাইল ছবি
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ে ৭৭ হাজারের বেশি শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে সরকার। এ নিয়োগের জন্য একটি নীতিমালা তৈরি করে সেটি অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। নীতমালায় পরীক্ষার মানবন্টনে পরিবর্তন আনা হয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) সূত্র জানিয়েছে, ৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় কেবলমাত্র মাদ্রাসার শিক্ষকদের জন্য সাবজেক্টিভ ১৪০ এবং জেনারেল ৬০ নম্বরের পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো নীতিমালায় স্কুল-কলেজ এবং কারিগরির ক্ষেত্রেও সাবজেক্টিভ ১৪০ এবং জেনারেল ৬০ নম্বর রাখা হয়েছে।
সূত্রের তথ্য বলছে, এনটিআরসিএ সাবজেক্টিভ ১০০ এবং জেনারেল ১০০ নম্বরের এমসিকিউ রাখার প্রস্তাব করেছিল। তবে মাদ্রাসা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এটিকে ১৪০ এবং ৬০ নম্বর করার সুপারিশ করে। পরবর্তীতে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা এবং কারিগরি সবার ক্ষেত্রেই পরীক্ষায় সাবজেক্টিভ ১৪০ এবং জেনারেল ৬০ নম্বরের পরীক্ষা রাখার বিষয়টি নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।
নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে এনটিআরসিএর এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সবার ক্ষেত্রেই সাবজেক্টিভ ১৪০ এবং জেনারেল বিষয়ে ৬০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা হবে। নীতিমালাটি এই মুহূর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে রয়েছে।’
নীতিমালা অনুমোদনের অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) মো. মিজানুর রহমান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে।’
৯ম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে ৭৭ হাজার ৭৯৯টি শূন্য পদের তথ্য পেয়েছে এনটিআরসিএ। সবচেয়ে বেশি শূন্য পদ সহকারী শিক্ষকের, ৪৪ হাজার ৬৯১টি। এছাড়া সহকারী শিক্ষক (ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা) ৯২৮; সহকারী শিক্ষক/শরীরচর্চা প্রশিক্ষক: ৪,০১৪; সহকারী মৌলভি ১১ হাজার ৬৯; কম্পিউটার ব্যবহারিক নির্দেশক ১২৯; ব্যবহারিক নির্দেশক ১ হাজার ৬১৬; ইবতেদায়ি কারি ২ হাজার ৫৬৩; ইবতেদায়ি মৌলভি ৬ হাজার ১৬৬; ইবতেদায়ি শিক্ষক ৪৪৪; প্রশিক্ষক ৫১; প্রভাষক ৫ হাজার ৮৫২; শারীরিক শিক্ষা প্রশিক্ষক ১২৫ এবং বাণিজ্য প্রশিক্ষক ২৫১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এই পদগুলোর সঠিকতা যাচাইয়ে ইতোমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) চিঠি পাঠানো হয়েছে।