দেশের সবচেয়ে বড় ঈদ জামাত হবে দিনাজপুর গোর-এ-শহীদ ময়দানে

ঈদ জামাত
গোর-এ-শহীদ বড় ময়দান  © সংগৃহীত

ঈদ-উল ফিতরে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ বড় ময়দান ঈদগাহ মাঠে। আয়োজকরা দাবি করেছেন, এবার শোলাকিয়াকেও ছাড়িয়ে যাবে এই ঈদের জামাত। প্রায় ১০ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ গ্রহণ করবেন বলেও জানানো হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করবেন এই জামাতে। ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতিও শেষ হয়েছে। ঈদের নামাজে আসা মুসল্লিদের নিরাপত্তায় তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে জেলা প্রশাসন। 

এরই মধ্যে মাঠের বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওয়াচ টাওয়ার। মাঠের আরেকটি অংশে ঘের দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের গ্যারেজ। এছাড়াও পাশের স্টেশন ক্লাব, সার্কিট হাউজ, শিশু একাডেমি ও জেলা গণগ্রন্থাগারেও যানবাহন রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঈদগাহে প্রবেশের জন্য মাঠের চারপাশে তৈরি করা হচ্ছে তোরণ। শহরের প্রবেশ মুখগুলোতে এবং মিনারে যাওয়ার রাস্তাতেও তৈরি হচ্ছে তোরণ। মুসল্লিদের জন্য মাঠে ওযুখানা, ভ্রাম্যমাণ টয়লেটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদ্যুতের পাশাপাশি প্রস্তুত থাকবে জেনারেটর।

জানা যায়, দিনাজপুরের ঐতিহাসিক গোর-এ-শহীদ ময়দানের পশ্চিম প্রান্তে ২০১৫ সালে এ ঈদগাহের নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রায় দেড় বছর পর এটি নামাজের জন্য প্রস্তুত করা হয়। এ ঈদগাহে রয়েছে ৫২টি গম্বুজের দুই ধারে ৬০ ফুট করে দুটি মিনার, মাঝখানের দুটি মিনার ৫০ ফুট করে এবং প্রধান মিনারের উচ্চতা ৫৫ ফুট। এসব মিনার আর গম্বুজের প্রস্থ ৫১৬ ফুট। দেশের সবচেয়ে বড় ঐতিহাসিক গোর-এ শহীদ ময়দানের পশ্চিম দিকে নির্মাণ করা হয়েছে এ মিনারটি। প্রত্যেকটি গম্বুজে দেয়া হয়েছে বৈদ্যুতিক বাতির সংযোগ। যে মেহরাবে খতিব বয়ান করবেন, সেটির উচ্চতা ৫০ ফুট। ৫২টি গম্বুজ ২০ ফুট উচ্চতায় স্থাপন করা হয়েছে মেহরাবটি। গেট দুটির উচ্চতা ৩০ ফুট করে।

আরও পড়ুন- করোনা নিয়ে নতুন সতর্কতা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম দেশের বৃহত্তম এ ঈদ জামাতের উদ্যোগ নেন। তার তত্ত্বাবধানেই তৈরি হয়েছে মিনার। দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের নামাজে ইমামতি করবেন দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতাল জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শামসুল হক কাসেমী।

ঈদুল ফিতরের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জেলা প্রশাসন ও পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এ ছাড়াও যদি আবহাওয়া বৈরী হয় তাহলে বড় মাঠের পাশে মসজিদসহ আশপাশের এলাকার মসজিদগুলোতে একযোগে নামাজ আদায় করা হবে বলে জানানো হয়েছে।


x

সর্বশেষ সংবাদ