চিত্রনায়ক সোহেল হত্যা মামলার আসামি ধরতে গুলশানে বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‍্যাব

০৫ এপ্রিল ২০২২, ১০:২৫ PM
বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব

বাড়ি ঘিরে রেখেছে র‌্যাব © সংগৃহীত

দীর্ঘ ২৪ বছর পূর্বের চাঞ্চল্যকর ও বহুল আলোচিত জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলার পলাতক ও চার্জশিটভুক্ত ১নং আসামী আশিষ রায় চৌধুরী বোতল চৌধুরীকে গ্রেফতারে গুলশানের একটি বাসা ঘিরে রেখেছে র‍্যাব।

গুলশান পিংক সিটির বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‍্যাব। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর এ অভিযান শুরু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, আশিষ রায় চৌধুরী গুলশান পিংক সিটির বাসায় অবস্থান করছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর বনানীর ট্রাম্পস ক্লাবের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয় সোহেল চৌধুরীকে। ঘটনার পর সোহেলের ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে গুলশান থানায় হত্যা মামলা করেন। ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ নয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে বাদানুবাদই এ হত্যার নেপথ্য কারণ বলে মামলার অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ এখন অন্যদের জন্য উন্নয়নের রোল মডেল : অর্থমন্ত্রী

এই মামলায় ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়। এরপর মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ২০০৩ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এ পাঠানো হয়। মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো বেআইনি হয়েছে এই দাবি করে ওই আইনের দুটি ধারা চ্যালেঞ্জ করে আদনান সিদ্দিকী হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন (রিট নম্বর ৭০৫৩ / ২০০৩)। ওই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা স্থানান্তরের আদেশ কেন বেআইনি হবে না তা জানাতে সরকারের প্রতি রুল জারি করেন। একই সঙ্গে তিন মাসের জন্য মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত করেন। পরে ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। সেই থেকে এই মামলার বিচার স্থগিত থাকে। কোনো স্বাক্ষীর স্বাক্ষই আর গ্রহণ করা হয়নি।

একটানা ১২ বছর মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকার পর ২০১৫ সালে আদনান সিদ্দিকীর দায়ের করা রিট আবেদনের ওপর শুনানি হয়। শুনানি শেষে বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর বেঞ্চ ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে ইতিপূর্বে দায়ের করা রুল খারিজ করে দেন। হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিত আদেশ প্রত্যাহার করেন। মামলার বিচার কার্যক্রম চলতে আইনত আর কোনো বাধা থাকে না এই আদেশের পর। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে ওই রায় ও হাইকোর্টের আদেশ আর বিচারিক ট্রাইব্যুনালে পৌঁছেনি। গায়েব হয়ে যায় হাইকোর্টেও আদেশের নথি।

শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সালাউদ্দিন তানভীরের অব্যাহতি প্রত্যাহার করে স্বপদে বহাল করল…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রথম ধাপে শেষ হল ৪০০ মনোনয়ন প্রত্যাশীর সাক্ষাৎকার
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
শনিবার সরকারের দুই মাসের কার্যক্রম তুলে ধরবে প্রধানমন্ত্রী …
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধে বৈশ্বিক মন্দার মাঝেও রমরমা ৫ ব্যাবসা
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
রক্তাক্ত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক সেবা না দিয়ে রামেকে রেফার, শ…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬