পারিশ্রমিক না নিলে ডাক্তার সাহেব কী খেয়ে বেঁচে আছেন?

১৭ মার্চ ২০২২, ১২:৪৪ PM
ডা. কামরুল ও ডা. মাহবুব মোতানাব্বি

ডা. কামরুল ও ডা. মাহবুব মোতানাব্বি © সংগৃহীত

এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম। দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক এই পুরস্কার প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় তার দেওয়া একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। তবে বিনা পারিশ্রমিকে এক হাজারেরও বেশি কিডনি প্রতিস্থাপন করা নিয়ে তিনি যেমন প্রশংসায় ভাসছেন; তার বিপরীতে অনেকেই এ নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। তাদের কৌতুহল-পারিশ্রমিক না নিলে ডাক্তার সাহেব কী খেয়ে বেঁচে আছেন?

তাদের এ প্রশ্নের জবাবে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের মেডিকেলের সিনিয়র ভাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও ঢাকা মেডিকেলের কে ৩৫ ব্যাচের শিক্ষার্থী অধ্যাপক ডা. মাহবুব মোতানাব্বি।

আজ বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) সকালে দেওয়া এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেন, কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, কোনো পারিশ্রমিক না নিলে ডাক্তার সাহেব কী খেয়ে বেঁচে আছেন? মনে রাখতে হবে, সে হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা করেছে। আয়ের উৎস তার আছে। তবে এই খাত থেকেও সে চাইলে প্রচুর আয় করতে পারতো। মহান আল্লাহ তার (অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের) আখেরাতের পুরস্কারের আশা পূর্ণ করুন।

অধ্যাপক ডা. মাহবুব মোতানাব্বি বলেন, এ বছর চিকিৎসায় স্বাধীনতা পদক পেয়েছে ডা. কামরুল ইসলাম। ঢাকা মেডিকেলে সে আমাদের পাঁচ ব্যাচ জুনিয়র। অর্থাৎ আমরা যখন ফাইনাল পরীক্ষার্থী,তখন তারা ঢাকা মেডিকেলে ঢোকে। তারপর ১৯৯০ সনে এম বি বি এস পাস করার পর ৯৫ সনে এফসিপিএস, ২০০০ এএমএস ও ২০০৩ এ এফআরসিএস শেষ করে সে। তারপর জাতীয় কিডনি ইন্সটিটিউটে সহকারী অধ্যাপক থাকাকালে সে ২০১১ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে দেয়।

২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠা করে সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজ শ্যামলীতে।এ পর্যন্ত হাজারের উপর কিডনি সংযোজন করেছে সে। নিজের ফি না নেয়ায় তার প্রতিষ্ঠানে কিডনি সংযোজনের খরচ দাঁড়িয়েছে কমবেশি দু লাখ টাকা যা বিদেশে করতে গেলে ন্যূনতম ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ হয়ে যাবে। এ সবের পর তার এ পুরস্কার পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু দেখলাম, সে মন্তব্য করেছে, দুনিয়ার এ পুরস্কারপ্রাপ্তিতে তার ভয় হয়, দুনিয়ায় সব পেয়ে গেলে আখেরাতের পুরস্কার থেকে বঞ্চিত হয় কিনা। খুবই বিনয়াবনত চিন্তাভাবনা। কিন্তু এখানে অন্য কিছু বিষয় আছে।

অধ্যাপক ডা. মাহবুব মোতানাব্বি আরও বলেন, এতো বড় কাজগুলো সে করেছে সরকারি চাকরি ছেড়ে দিয়ে। নিজস্ব উদ্যোগে। টাকার লোভে যে করেনি, বোঝাই যাচ্ছে, বিনা পারিশ্রমিকে অপারেশন করার মাধ্যমে। এ কাজ তো সরকারি খাতে তৈরি অবকাঠামোতে করতে পারতো। কেন পারেনি, এটিই কোটি টাকার প্রশ্ন।

তিনি বলেন, একজন সহকারী অধ্যাপক জানেন না, কবে অধ্যাপক হতে পারবেন। অনেক সময় বসার জায়গাও পান না। সারাক্ষণ বদলি আতঙ্কে থাকেন। অনেক সময় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, এমনকি নিজ ইউনিট প্রধান থেকেও ভালো ব্যবহার বা কাজের স্বাধীনতা পান না। মহাপরিচালকের দফতর, মন্ত্রণালয় সর্বত্র অসহযোগিতা পেতে পেতে একসময় তার প্রাণশক্তি শেষ হয়ে যায়। এই অন্ধ চক্র থেকে বের হতে পারলে অনেকেই হয়তো কামরুলের মতো বা তার কাছাকাছি পারফরম্যান্স দেখাতে পারতো।

নারায়ণগঞ্জে সিমেন্ট কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ, ৮ শ্রমিক দগ্ধ
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
৩৯ বছর পর ম্যানসিটির ১০ গোলের তাণ্ডব, লন্ডভন্ড এক্সটার সিটি
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
বল বাসার চালে পড়ায় গরম পানি নিক্ষেপ; দগ্ধ হয়ে বার্ন ইউনিটে …
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
সুখটান দেওয়া বিড়ির মধ্যেও দাঁড়িপাল্লার দাওয়াত: বিতর্কিত …
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের স্বপ্নে ‘আরেকবার চেষ্টা করে দেখার…
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
  • ১১ জানুয়ারি ২০২৬
X
UPTO
100%
MERIT BASED
SCHOLARSHIP
ADMISSION OPEN FOR
SPRING 2026
Application Deadline Wednesday, 21 January, 2026
Apply Now

Programs Offered

  • BBA
  • Economics
  • Agriculture
  • English
  • CSE
  • EEE
  • Civil
  • Mechanical
  • Tourism & Hospitality
01810030041-9