অনেক দেশের জনসংখ্যার চেয়েও বেশি শিক্ষার্থী বাংলাদেশে: শিক্ষামন্ত্রী

০৬ জানুয়ারি ২০২২, ০৮:০৮ PM
প্রতিভা অন্নেষণ ও আন্তঃইউনিট বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

প্রতিভা অন্নেষণ ও আন্তঃইউনিট বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান © টিডিসি ফটো

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমাদের দেশে বর্তমানে ৫ কোটি শিক্ষার্থী রয়েছে, যেটি অনেক দেশের মোট জনসংখ্যার চেয়েও বেশি। এই যে শিক্ষার্থী সংখ্যা, এই সংখ্যাটিকে সম্পদে রূপান্তর করাটাই আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। এটিকে ওভারকাম করতে হবে। মানবিক বাংলাদেশ তৈরিতে আমাদের সন্তানরা বড় ভূমিকা পালন করবে, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

আজ বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) গাজীপুরে রোভার পল্লীতে বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চল আয়োজিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে প্রতিভা অন্নেষণ ও আন্তঃইউনিট বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান-২০২১ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বে কারিগরি শিক্ষায় বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। আমরাও সেদিকে এগুচ্ছি। কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেসব শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করছে তারা ভালো করছে। ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে। আমাদের লক্ষ্য ২০৫০ সালে কারিগরি শিক্ষা ৫০ শতাংশে উন্নীত করা। বঙ্গবন্ধু বলেছেন শিক্ষায় বিনিয়োগ হচ্ছে শ্রেষ্ঠতম বিনিয়োগ। আমাদের যেতে হবে অনেক দূর।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদেরকে ভালো মানুষ, স্বাবলম্বী ও পরোপকারী মানুষ হিসেবে তৈরি হতে হবে। তাদের মধ্যে সহমর্মিতার বোধ তৈরি করতে হবে। তরুণ প্রজন্মকে মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষায় আমরা যা কিছু করছি- আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার কথা বলছি- এসবই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর রেখে যাওয়া পথরেখা। সবকিছুই তার শিক্ষা ভাবনায় রয়েছে। আর এটির প্রতিফলন দেখতে পাই ড. খুদরাত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশনে।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পার করছি। আমাদের অনেকটা পথ বাকি আছে। কারণ অনেক পথ হেঁটেছি অগণতান্ত্রিকভাবে। জাতির পিতাকে হত্যার পর সেই অগণতান্ত্রিক পথ আমাদের সকল উন্নয়নের পথ রূদ্ধ করে দিয়েছিল। আজকে বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের ধারায় এগুচ্ছে।

তিনি বলেছেন, মানুষ চিরকাল বাঁচে না। যে উন্নয়নের ধারায় রেখে গেলাম সেটি ধরে রেখো।” আমি বিশ্বাস করি তোমাদের নতুন প্রজন্মের হাত ধরে একশত বছরের বাংলাদেশ একটি পূর্ণতার বাংলাদেশ হবে। একশত বছরের বাংলাদেশ শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নে সমৃদ্ধ হবে না, মানবিক বাংলাদেশও হবে।

রোভার স্কাউটদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য বলেন, তোমরা যতো বেশি উদার হতে শিখবে, দেখবে তোমাদের নিজের জীবন পূর্ণতায় ভরে গেছে। যতো বেশি উদারভাবে অন্যকে দিতে পারবে, তার মধ্যে যে প্রাপ্তি আছে সেটি তোমার জীবনকে পূর্ণতা দেবে। স্কাউটস আন্দোলনের মধ্যদিয়ে অহর্নিশ সেবা, অন্যকে ভালোবাসা- এসবে নিজেকে উজার করে দেবে। সেটিই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, সমতাভিত্তিক সমাজ এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মূল অনুপ্রেরণা।

অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বাংলাদেশ স্কাউটস রোভার অঞ্চলের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান স্কাউট ব্যক্তিত্ব ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান, গাজীপুর জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. গিয়াসউদ্দীন মিয়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন প্রমুখ।

ঢাবিতে পানি-বিদ্যুতের অপচয় রোধে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক কর্মস…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ—এখন কী হবে?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
১৯৭০ এর দশকের জ্বালানি তেল সংকটের সময় কী হয়েছিল?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে পুরস্কারের ঘোষণা প্রতিমন্ত্…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবি প্রথমবর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের ক্লাস শুরু
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, পদ ৯০, আবে…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬