শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষতি পোষাতে ৯ সুপারিশ

১১ আগস্ট ২০২১, ১০:৩৩ PM
শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষতি পোষাতে ৯ সুপারিশ

শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ক্ষতি পোষাতে ৯ সুপারিশ © ফাইল ছবি

করোনা মহামারিতে তরুণদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে ব্যাপক ক্ষতি পোষাতে নয় দফা সুপারিশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। বুধবার (১১ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব সুপারিশেরর কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়েছে, কোভিড অতিমারিতে দীর্ঘদিন স্বশরীরে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম থেকে দূরে থাকা, কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা এবং ভবিষ্যত কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জে দেশের তরুণ সমাজ মানসিক ও আর্থ-সামাজিক গভীর সংকটপূর্ণ সময় পার করছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় যুব জনগোষ্ঠীর শিক্ষা ও ভবিষ্যত কর্মসংস্থান নিশ্চিতে দ্রুত ও কার্যকর মনোযোগ ও বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে টিআইবি। অতিমারিকালে শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে নয়টি সুপারিশ করে সংস্থাটি।

১২ আগস্ট আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে পাঠানো ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, দেশে করোনা অতিমারির কারণে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার ১৬ মাস পার হলেও সেগুলো খোলার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত সমন্বিত ও কার্যকর কোনো কর্মপরিকল্পনা নেওয়া যায়নি।

অতিমারির এই সময়ে তরুণদের শিক্ষা, কর্মক্ষেত্র ও স্বাধীন মতপ্রকাশ নিশ্চিত করতে টিআইবির সুপারিশগুলো হলো—

১. শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্বল্প সময়ের মধ্যে কোভিড-১৯ এর টিকাদান করে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে অতিদ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ খুলে দিতে হবে।

২. স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে সকল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন কার্যক্রম নিশ্চিত করে পরবর্তী স্তরে উত্তরণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

৩. ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শ্রেণীকক্ষে ফিরিয়ে আনতে বিশেষ উদ্যোগ নিতে হবে। বিশেষ করে, নারী, প্রতিবন্ধী, আর্থিকভাবে অসচ্ছল, আদিবাসী ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্ন শিক্ষাগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

৪. স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে তরুণদের যথাযথ কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে।

৫. তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনার পাশাপাশি করোনায় যেসব ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পখাত থেকে তরুণরা কর্মহীন হয়েছে বিশেষ প্রণোদনার মাধ্যমে সেগুলো চালুর উদ্যোগ নিতে হবে।

৬. কারিগরি ও বিশেষ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বিকল্প পেশার (যেমন আউটসোর্সিং, ফ্রিল্যান্সিং) জন্য কর্মহীন তরুণ বা নতুন গ্র্যাজুয়েটদের প্রস্তুত করতে হবে।

৭. সরকারি-বেসরকারি যেসব চাকরির পরীক্ষা ও নিয়োগ বন্ধ রয়েছে অবিলম্বে সেগুলোর প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে এবং নতুন বিজ্ঞপ্তির ক্ষেত্রে কোভিড অতিমারির প্রেক্ষাপট বিবেচনায় যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার মানদন্ড নির্ধারণ করতে হবে।

৮. সব চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়া দুর্নীতিমুক্ত রেখে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সমান প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে।

৯. তরুণসমাজসহ সব নাগরিকের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য আইনি ও নীতিকাঠামোর প্রয়োজনীয় আমূল সংস্কার করতে হবে।

দুই প্রভাষক নিয়োগ দেবে ঢাবির মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগ, আবেদন শেষ …
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপি ছেড়ে জামায়াতে যোগ দিলেন বিএনপির এক ব্যবসায়ী
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১১ দলীয় জোট বিজয়ী হলে এনআইডি কার্ডেই সকল সেবা নিশ্চিত হবে: …
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পদত্যাগ করে জামায়াতে যোগ দিলেন গণঅধিকারের এমপি প্রার্থী
  • ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
​পটুয়াখালী-৩: নুর ও মামুনের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে সংঘর…
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬
জেলা কারাগার থেকে হাজতির পলায়ন, ডেপুটি জেলারসহ বরখাস্ত ৮
  • ৩১ জানুয়ারি ২০২৬