ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ © সংগৃহীত
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমনকে ঘিরে হেফাজত ইসলামের বিক্ষোভ ও হরতালকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায়। মোদীর সফরকে কেন্দ্র করে ঢাকায় বায়তুল মোকাররম এলাকায় সংঘর্ষের শুরু হলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেই তা সবচেয়ে ব্যাপক সহিংস রূপ নেয়।
সহিংস বিক্ষোভে দেশজুড়ে যে কয়জনের মৃত্যু হয়েছে তার মধ্যে অনন্ত ৮ জনই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার। রবিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বহু সরকারি দপ্তর, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গণ, পৌরসভা কার্যালয়, সদর উপজেলা ভূমি অফিস, আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয় ও বাড়ি, জেলা পরিষদ কার্যালয়, রেল স্টেশন।
ছবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিক্ষোভ ও ভাংচুরের কিছু চিত্র তুলে ধরা হল-

পুলিশের গাড়িতে আগুন। ছবি: সংগৃহিত

জেল রোডে অবস্থিত দি আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গণে ভাংচুর করা হয়। ছবি: সংগৃহিত

পৌরসভা কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। এতে কয়েকটি কক্ষে থাকা প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ছবি: সংগৃহিত

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে জেলা প্রশাসন আয়োজিত উন্নয়ন মেলার অর্ধশত স্টলে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন হেফাজতকর্মীরা। ছবি: সংগৃহিত

সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে আগুনে কার্যালয়ের রেকর্ড রুমে রক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ সকল নথিপত্র পুড়ে গেছে। ছবি: সংগৃহিত

জেলা শহরের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে থাকা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের ব্যক্তিগত কার্যালয়টি আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছেন। ছবি: সংগৃহিত

রেলওয়ে স্টেশনে অগ্নিসংযোগ। ছবি: সংগৃহিত