রাজউকের অনুমোদন ছাড়াই ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিট স্থাপন করা হয়। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আদালতে দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।
এদিকে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স এবং ঢাকা মেট্টপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ড সংঘটন ও তা প্রতিরোধে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গাফিলতি ছিল।
আজ রবিবার (১৪ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিমের ভার্চুয়াল বেঞ্চে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার তদন্ত প্রতিবেদনগুলো তুলে ধরেন। পরে ইউনাইটেড হাসপাতালের আইনজীবিদের আবেদনের প্রেক্ষপটে আগামী ২২ জুন আদালত পরবর্তী শুনানীর দিন ধারয করেন।
ইউনাইটেড হাসপাতালের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার নিয়াজ মুহাম্মদ মাহবুব ও ব্যারিস্টার শাহিদা সুলতানা শিলা এ রিট আবেদন করেন। রিট আবেদনকারী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার মুনতাসির উদ্দিন আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার। ইউনাইটেড হাসপাতালে পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মুস্তাফিজুর রহমান খান।
উল্লেখ্য, গত ২৭ মে রাতে রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে আগুনে পাঁচ রোগীর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় করা রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তিন সরকারি সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে রাষ্ট্রপক্ষকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।