এক ঘণ্টায় শেষ হবে সংসদের আসন্ন অধিবেশন

১৩ এপ্রিল ২০২০, ০৯:২৩ AM

© সংগৃহীত

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় ডাকা সংসদের আসন্ন অধিবেশনটি শুরু হয়ে এক ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে। সংসদের ইতিহাসে এটা হবে সবচেয়ে সংক্ষিপ্ততম অধিবেশন। আগামী শনিবার বিকেল ৫টায় শুরু হয়ে ৬টার মধ্যে অধিবেশন শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

অবশ্য সংসদ মুলতবি রেখে দীর্ঘ বিরতি দিয়ে বাজেট অধিবেশন ছুঁয়ে ফেলা যায় কিনা বিকল্প হিসেবে সে ভাবনাও আছে আলোচনায়। তবে তা ঠিক হবে সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে। দেশের ইতিহাসে এটিই হতে যাচ্ছে প্রথম অধিবেশন যেখানে কিছু জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্যকে সংসদে আসতে নিরুৎসাহিতও করা হবে। ঢুকতে পারবে না গণমাধ্যমকর্মীরাও। সংসদ সচিবালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি এবং দেশে অব্যাহতভাবে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকার প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী সংসদের এক অধিবেশনের শেষ ও পরের অধিবেশনের শুরুর মধ্যে একই সঙ্গে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের বেশি বিরতি দেওয়ার সুযোগ নেই। সংবিধানের এই নির্দেশনা রক্ষায় বিরূপ পরিবেশের মধ্যেও অধিবেশন বসতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা ও একাধিক হুইপের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, বয়স্ক ও শারীরিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ নন এমন এমপিদের এই অধিবেশনে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হবে। এমপিদের কাছে এমন বার্তা পৌঁছাতে ইতোমধ্যেই হুইপদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকায় অবস্থানরত এবং ঢাকার আশপাশের সংসদীয় এলাকার সংসদ সদস্যদের উপস্থিতিকে উৎসাহিত করা হবে। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের বৈঠকের কোরাম পূরণ করতে সর্বনিম্ন ৬০ জনের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। তাই ওই হিসেব মাথায় রেখে এমপিদের অধিবেশনে যোগ দিতে বলা হচ্ছে। এছাড়া সংসদ কক্ষে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দেওয়া হবে।

অবশ্য কোনও কোনও সংসদ সদস্য বর্তমানে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতে সরাসরি সংসদের অধিবেশনে অংশ নেওয়াটাকে ঝূঁকিপূর্ণ মনে করছেন। তারা অধিবেশন বাতিল বা ভিডিও কনফারেন্সে আয়োজনের কথা বলছেন। তবে সংসদের কর্মকর্তারা বলছেন, ৩৫০ জন এমপির জন্য এই ভিডিও কনফারেন্সের ব্যবস্থা করা সময়সাপেক্ষ বিষয়। এত অল্প সময়ে এটা সম্ভব নয়। তাছাড়া ভিডিও কনফারেন্সে অধিবেশনে কিছু আইনি জটিলতার বিষয়ও রয়েছে।

তবে একাধিক এমপি জানিয়েছেন, বর্তমানে যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতে সরাসরি সংসদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। তারা চাইছেন অধিবেশন বাতিল করা হোক অথবা ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠকের আয়োজন করা হোক। তবে সংসদের কর্মকর্তারা বলছেন, ৩৫০ জন এমপির জন্য এই ভিডিওর ব্যবস্থা করা সময়সাপেক্ষ বিষয়। এত অল্প সময়ে এটা সম্ভব নয়। তাই অল্প সংখ্যক সদস্যকে অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য বলা হবে এবং ওই দিন সংসদে কোনো দর্শনার্থী থাকবে না। এমনকি অধিবেশনের নিউজ সংগ্রহের জন্য গণমাধ্যমকর্মীরাও যেতে পারবেন না।

সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে শুধু নিরাপত্তারক্ষী ও বৈঠকের ভেতরে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব থাকবে তারাই ঢুকতে পারবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় সংসদের হুইপ নূর-ই আলম চৌধুরী লিটন সমকালকে বলেন, ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক ডাকার বিষয়টি সংবিধানে নেই। তাই চাইলেই এই ব্যবস্থা করা যায় না। বৈঠকে স্পিকারকে সব এমপিদের দেখতে হয়। এমপিরা হাত তুলবেন- কে বলতে চান? এ রকম অনেক বিষয় রয়েছে। ঢাকায় অনেক এমপি অবস্থান করছেন। তাতে কোরাম নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।

 

থাইল্যান্ডকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বাস ভাড়া কত বাড়ছে যা জানা গেল
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রিলিমিনারি টু মাস্টার্সে ভর্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন শু…
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে ২ পরিবর্তন
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ভুল প্রশ্নে এসএসসি পরীক্ষায় তোলপাড়, তদন্ত শুরু করল কর্তৃপক্ষ
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্বকাপ শুরুর আগেই স্বপ্নভঙ্গ একঝাঁক তারকার
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬