জামায়াতের এমপিকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট

ইসলামী ছাত্র আন্দোলন নেতাকে থানায় সোপর্দ, পরে ক্ষমা-মুচলেকায় মুক্তি

১৬ জুন ২০২৬, ০৭:৫৩ PM , আপডেট: ১৬ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬ PM
রনি বিশ্বাস ও তার ফেসবুক পোস্ট

রনি বিশ্বাস ও তার ফেসবুক পোস্ট © সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এক সংসদ সদস্যকে নিয়ে ফেসবুকে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দেওয়ার জেরে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের এক নেতাকে থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। পরে তার কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ওই সংসদ সদস্যের কাছে ক্ষমা চাওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় হেনস্তারও শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রনেতা।  

ভুক্তভোগী ওই ছাত্রনেতার নাম মো. রনি বিশ্বাস। তিনি ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ বাগেরহাট জেলা শাখার প্রকাশনা ও দফতর সম্পাদক এবং চিতলমারী উপজেলা শাখার সভাপতি। 

জানা যায়, গত ১৩ জুন বাগেরহাটের চিতলমারীতে বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. মশিউর রহমান খানকে নিয়ে ফেসবুকে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট দেন তিনি। ‘হারিয়ে গেছেন’ শিরোনামে স্থানীয় এমপি মশিউর রহমান খানের ছবি যুক্ত করে তিনি লেখেন, ‘‘এই ব্যক্তিকে খুঁজে পেতে সাহায্য করুন। নাম: মশিউর রহমান। বয়স: প্রায় ৬৫ বছর। গায়ের রং: শ্যামলা। উচ্চতা: প্রায় ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। গঠন: মাঝারি। চুল: সাদা। দাড়ি: সাদা লম্বা দাড়ি। চশমা: পরিহিত। পোশাক (শেষ দেখা সময়): সাদা পাঞ্জাবি, ধুসর ভেস্ট, সাদা টুপি। তিনি সর্বশেষ…………এলাকায় দেখা গিয়েছেন। তারিখ:........... সময়: আনুমানিক………। তাকে খুঁজে পেলে দয়া করে নিচের নম্বরে যোগায়োগ করুন। আপনার সামান্য সাহায্য তার পরিবারের জন্য অনেক মূল্যবান। যোগাযোগ করুন: 01700-000000, 01800-000000, আপনার একটি ফোন আমাদের প্রিয় মানুষটিকে ফিরিয়ে দিতে পারে।’’

রনি বিশ্বাসের দাবি, প্রত্যাশা অনুযায়ী এলাকার উন্নয়নে এমপিকে দৃশ্যমান ভূমিকায় দেখতে না পাওয়া, এলাকায় নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটসহ নানা সমস্যায় ক্ষুব্ধ হয়ে এই ‘ব্যাঙ্গাত্মক’ পোস্টটি করেছিলেন তিনি।

তিনি জানান, তার এই পোস্টের পর এমপির সমর্থক ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করান। পরে ওইদিন তাকে থানায় নিয়ে যান চিতলমারী উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাসুম বিল্লাহ ফরাজি। দীর্ঘক্ষণ থানায় রেখে মুচলেকা আদায় করে তাকে থানা থেকে এমপির স্থানীয় অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে এমপি মশিউর রহমান খানের কাছে ক্ষমা চাওয়ার পর তাকে বাড়িতে ফেরত যেতে দেওয়া হয়।

রনি বিশ্বাস বলেন, থানায় পুলিশ সদস্যরা দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন। পরে পেয়ে আমাদের ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা এবং তার বাবা থানায় আসেন। তারা জামায়াত ইসলামীর নেতাদের সহায়তায় এমপির সাথে কথা বলে শর্তসাপেক্ষে জিডি তোলান। এ সময় জামায়াতের এক নেতার উপস্থিতিতে আমার, আমার বাবা ও আমাদের সংগঠনের দুই নেতার সই নিয়ে একটি মুচলেকা দেওয়া হয়। তারা আমাকে একটি নির্দিষ্ট পোস্ট লিখতে বাধ্য করেন, যেখানে বলতে হবে আমি গ্রেপ্তার হইনি। সবশেষে আব্বু আমাকে এমপি সাহেবের কাছে নিয়ে মাফ চাওয়ান এবং আমরা বাসায় ফিরে আসি।

এ বিষয়ে এমপি মশিউর রহমান খান বলেন, আমার পক্ষে থানায় জিডি করা হয়েছিল। তবে বিস্তারিত কথা বলেননি তিনি। চিতলমারী থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) রোকেয়া খানম বলেন, পুলিশের কেউ তাকে থানায় নিয়ে আসিনি। নিজেরা থানায় নিয়ে এসে নিজেরা মীমাংসা করে নিয়ে গেছে। এখানে আমাদের ইনভলভমেন্ট নাই।

জামায়াত-শিবির বাড়াবাড়ি করলে আজীবন গুপ্ত থাকার ব্যবস্থা করা …
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
যোগ্যতা ছাড়াই অবৈধ নিয়োগে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বেতন ফেরত…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
ডিআইইউতে ছাত্রলীগ নেতা আটক, পুলিশে দিলেন শিক্ষার্থীরা
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
দেড় বছরেও প্রকাশ্যে আসেনি নোবিপ্রবি ছাত্রশিবিরের পূর্ণাঙ্গ …
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
পদ্মার ভাঙন কবলিত এলাকায় বাঁধ নির্মাণকাজ উদ্বোধন করলেন এমপি…
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
নাফেইন ইন্টারন্যাশনাল একাডেমিতে প্রথম গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬