৭ মার্চ ও ১৫ আগস্ট জাতীয় দিবসের তালিকা থেকে বাদ, থাকছে ৫ আগস্ট

১২ মার্চ ২০২৬, ১২:৩৪ PM
সরকারের লোগো

সরকারের লোগো © টিডিসি সম্পাদিত

সরকার নির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালনের বিষয়ে নতুন পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এতে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসসহ বেশ কয়েকটি দিবস বাতিল করার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এ পরিপত্রে বলা হয়, ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেল দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস এবং ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস এসব দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর এ বিষয়ে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছিল। নতুন পরিপত্র জারির মাধ্যমে আগেরটি বাতিল করা হয়েছে।

নতুন নির্দেশনায় দিবসগুলোকে আগের মতো তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ক-শ্রেণিতে জাতীয় পর্যায়ের ১৭টি দিবস বা উৎসব যথাযথ মর্যাদায় উদযাপন করা হবে। এ তালিকায় ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করার কথা উল্লেখ রয়েছে।

এছাড়া ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের সময় রংপুরে পুলিশের গুলিতে ছাত্র আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালন করা হবে বলেও পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

খ-শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত ৩৭টি দিবসের মধ্যে যেগুলো ঐতিহ্যগতভাবে পালিত হয়ে আসছে বা পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক সেসব দিবস উল্লেখযোগ্য পরিসরে পালন করা যেতে পারে। এসব অনুষ্ঠানে মন্ত্রীরা সম্পৃক্ত থাকবেন এবং প্রয়োজন বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এ ধরনের আয়োজনের জন্য সরকারি উৎস থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে।

গ-শ্রেণিতে থাকা ৩৫টি দিবস সীমিত পরিসরে পালনের কথা বলা হয়েছে। এসব দিবস পালনে মন্ত্রীদের উপস্থিতির বিষয়টি তারা নিজেরা বিবেচনা করবেন এবং উন্নয়ন খাত থেকে এ জন্য কোনো বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হবে না।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, তিন শ্রেণির বাইরেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কিছু দিবস পালন করে থাকে, যেগুলোর অনেকগুলোই গতানুগতিক এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুনরাবৃত্তিমূলক। সরকারি সময় ও সম্পদের সাশ্রয়ের স্বার্থে এসব দিবস পালনে সরকারি সংস্থাগুলোকে সম্পৃক্ততা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে শিক্ষা সপ্তাহ, প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ, বিজ্ঞান সপ্তাহ, বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ (১-৭ আগস্ট), বিশ্ব শিশু সপ্তাহ (২৯ সেপ্টেম্বর-৫ অক্টোবর), জাতীয় প্রাণিসম্পদ সপ্তাহ, সশস্ত্র বাহিনী দিবস (২১ নভেম্বর), পুলিশ সপ্তাহ, বিজিবি সপ্তাহ, আনসার সপ্তাহ, মৎস্য পক্ষ, বৃক্ষরোপণ অভিযান ও জাতীয় ক্রীড়া সপ্তাহ পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মসূচি গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

পরিপত্রে দিবস পালনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সাজসজ্জা বা ব্যয়বহুল আয়োজন এড়িয়ে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে বেতার ও টেলিভিশনে আলোচনা, সীমিত পরিসরে সেমিনার বা সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। কর্মদিবসে সমাবেশ বা শোভাযাত্রা না করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া কোনো সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি সাধারণত তিন দিনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে এবং অফিসের কার্যক্রমে যেন ব্যাঘাত না ঘটে সেদিকেও গুরুত্ব দিতে বলা হয়েছে। অনুষ্ঠানগুলো ছুটির দিন বা অফিস সময়ের পর আয়োজন করার চেষ্টা করতে বলা হয়েছে।

পরিপত্রে আরও বলা হয়, দিবস বা সপ্তাহ পালন উপলক্ষে রাজধানীর বাইরে থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঢাকায় আনা যতটা সম্ভব পরিহার করতে হবে। একই ধরনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক দিবসকে প্রাধান্য দিয়ে একই তারিখে একত্রে পালনেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নবীনদের স্বাগত জানিয়ে ঢাবিতে ছাত্রদলের মিছিল
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
ঢাবির ফজলুল হক হলের ভিপি, সমাজসেবা সম্পাদক ও ভুক্তভোগী শিক্…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে স্থানান্ত…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজি মাধ্যমের জন্য ভিন্ন প্রশ্নপত্র, একাডে…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
ডাকসুর জুলাই সংগ্রহশালা পরিদর্শনকালে লোডশেডিংয়ের কবলে মার্ক…
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
৩ মাসে সাতক্ষীরায় ৬৫ জনের আত্মহত্যা, অপমৃত্যু ১৩৬
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬