মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর © সংগৃহীত
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে মাদ্রাসাগুলোতে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ বা নির্বাচনী প্রচারণামূলক কর্মকাণ্ডের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এখন থেকে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসারের লিখিত অনুমতি ব্যতিরেকে মাদ্রাসার মাঠ বা হলরুম নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
সোমবার (১২ ডিসেম্বর) মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান মজুমদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, ‘আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন-পূর্ব এই সময়ে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করা বাধ্যতামূলক। লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, কোনো কোনো প্রার্থী বা তাদের সমর্থকরা সেমিনার, সংবর্ধনা বা যুব সমাবেশের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভোটারদের জড়ো করে নির্বাচনী প্রচারণার চেষ্টা করছেন।’
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ (অধ্যক্ষ/সুপার/ইবতেদায়ী প্রধান) রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়াই স্থানীয়ভাবে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছেন। এটি নির্বাচনী আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতাধীন সব সরকারি ও বেসরকারি মাদ্রাসার প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন রিটার্নিং অফিসারের অনুমতি ছাড়া কোনো অবস্থাতেই প্রতিষ্ঠানকে কোনো সভার ভেন্যু হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ না দেওয়া হয়।
মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের এ নির্দেশনা দেশের সব মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, সুপার এবং ইবতেদায়ি প্রধানদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনী শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে এই সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।