আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে © সংগৃহীত
ভোলার দৌলতখান উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে মদনপুর ইউনিয়নের পাটওয়ারী বাজারে স্থানীয় কাশেম মাঝি ও শফিক মাঝি পক্ষের সঙ্গে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকালে মদনপুরে একটি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের খেলা চলছিল।
খেলার এক পর্যায়ে সেমিফাইনালে ওঠা নিয়ে দুই দলের পয়েন্ট নিয়ে টিম ম্যানেজমেন্টের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। সেখানে এক পর্যায়ে কাশেম মাঝি পক্ষের এমরানকে থাপ্পর দেয় শফিক মাঝি পক্ষের বাহার। এ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ বড় আকার ধারণ করে। সন্ধ্যার পর কাশেম মাঝি পক্ষের লোকজন পাটওয়ারী বাজারে শাফিক মাঝির লোকজনের ওপর হামলা করলে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।
আরো পড়ুন: ঢাবিতে বৈষম্যবিরোধীদের দুই গ্রুপের হাতাহাতি চলছে
এতে দুই পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। কাশেম মাঝি মদনপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতি ও শফিক মাঝি জাতীয় পার্টির (বিজেপি) নেতা বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতদের মধ্যে মো. শাহাবুদ্দিন, মো. নাছির, বিল্লাল জমাদ্দার, মো. জামাল, আবু সাইদ, ইয়াকুব, মো. শাহিন, মো. আরিফ, মো. শরিফ, ঝিলন, মো. হেজু ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মদনপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হেলাল উদ্দিন জানান, এই দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব থেকেই চরের ভাগভাটোয়ারা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।
আরো পড়ুন: গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের নেতৃত্বে বাকের-জাহিদ, ঢাবিতে কাদের-মহির
এই জন্যই খেলাকে কেন্দ্র করে সামান্য বিষয় নিয়েই দুই পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। এখানে দলীয় কোনো বিরোধ না। এটা তাদের ব্যক্তিগত বিরোধ। এ সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষ ছাড়াও পথচারী ও স্থানীয় লোকজনও আহত হয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান জানান, এ ঘটনায় কোনো পক্ষই এখনও লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।