শাহবাগে প্রাথমিকের নিয়োগ বাতিল হওয়া শিক্ষকরা, সর্তক অবস্থানে পুলিশ
- টিডিসি রিপোর্ট
- প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:৩৩ PM , আপডেট: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১২:৪২ PM

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মহাসমাবেশ শাহবাগে চলছে। সকাল থেকেই আন্দোলনকারীরা শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে সকালে থেকেই শাহবাগ মোড়ের বিভিন্ন স্থানে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশের অবস্থান দেখা গেছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, আজ রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এই মহাসমাবেশ হচ্ছে । আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, দাবি আদায়ের জন্য তারা বেলা ২টা পযর্ন্ত অপেক্ষা করবেন। যদি দাবি আদায় না হয় তাহলে আজ বেলা ২ টায় মহাসমাবেশ থেকে তারা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।
এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সমেম্মলনে বলা হয়, আগামী দুইদিন শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি চলমান থাকবে। নারী শিক্ষিকাদের গায়ে পুলিশের হাত তোলার প্রতিবাদ এবং চাকরিতে যোগদানের দাবিতে রোববারের এই মহাসমাবেশ।
আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, তাদের নিয়োগ হয়েছিলো ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দের বিধিমালা অনুযায়ী। একই নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রথম দুই ধাপের সুপারিশপ্রাপ্তরা প্রায় বছর খানেক আগে কর্মস্থলে যোগদান করলেও ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের তৃতীয় ধাপের সাড়ে ৬ হাজার সুপারিশপ্রাপ্তদের নিয়োগ ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়।
এর আগে ১০ ফেব্রুয়ারি পুলিশের জলকামান নিক্ষেপের পর মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিবের সঙ্গে চাকরিপ্রার্থীরা বৈঠক করেন। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের নিয়োগের ব্যবস্থা নিতে আদালতে আপিল করা হয়। তাদের কাউকে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়া হবে না জানানো হলেও উচ্চ আদালতের আদেশ প্রত্যাহার না-হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
আন্দোলনকারীদের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ১৪ জুন তৃতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। লিখিত পরীক্ষা হয় ২০২৪ সালের ২৯ মার্চ। লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয় একই বছরের ২১ এপ্রিল। ১২ জুন সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। আইন মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে ৩১ অক্টোবর ফল প্রকাশিত হয়। এতে ৬,৫৩১ জন চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন। সুপারিশপ্রাপ্ত হননি, এমন ৩১ জন হাইকোর্টে রিট করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৬,৫৩১ জনের নিয়োগ কার্যক্রম ৬ মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলাফলে উত্তীর্ণ ৬,৫৩১ জনের নিয়োগ কার্যক্রম গত ৬ ফেব্রুয়ারি বাতিল করে রায় দেন হাইকোর্ট।