জাতীয় সঙ্গীত ইস্যুতে সরব ছিলেন, ভারত ইস্যুতে নীরব কেন—প্রশ্ন ছুড়লেন আসিফ নজরুল

০৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৪:৩৫ PM , আপডেট: ১৭ জুলাই ২০২৫, ১২:২৬ PM
আসিফ নজরুল

আসিফ নজরুল © সংগৃহীত

ভারতের উত্তর–পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশন প্রাঙ্গণে হিন্দু সংঘর্ষ সমিতির সমর্থকদের হামলার ঘটনায় গভীরভাবে ক্ষুব্ধ করেছে বাংলাদেশ সরকারকে। বিক্ষুব্ধ করেছে বাংলাদেশের অধিকাংশ জনগণকেও। ব্যক্তিগতভাবে কড়া প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন আইন ও বিচার বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। পাশাপাশি  যারা প্রতিবাদ করেননি, তাদের নীরবতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এই উপদেষ্টা।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) আসিফ নজরুল তার ফেরিফায়েড ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘জাতীয় সঙ্গীত ইস্যুতে যারা সরব ছিলেন, দেশের সার্বভৌমত্বের ইস্যুতে তাদের অনেকে নীরব কেন?’ 

সেপ্টেম্বরের শুরুতে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতকে ‘স্বাধীনতার অস্তিত্বের পরিপন্থি’ আখ্যা দিয়ে তা পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছিলেন যুদ্ধাপরাধী জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে আব্দুল্লাহিল আমান আযমী। তার বক্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও তাদের সমর্থকেরা। এ ছাড়াও বাম ঘরানার সব রাজনৈতিক দল ও তাদের সমর্থকেরাও প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। এবার ভারত ইস্যুতে তাদের অনেকেই নীবর আছেন। এ বিষয়টা ইঙ্গিত করেই আসিফ নজরুল পোস্ট দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে জোরালো ভূমিকা রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। এ সুবাধে অন্তবর্তী  সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টা ও নীতিনির্ধারক হয়েছেন। লেখালেখি ও রাজনৈতিক বক্তব্যের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ জনপ্রিয়তা তার। সমসাময়িক নানা প্রসঙ্গে তিনি ফেসবুকে মতামত তুলে ধরেন। দেশের ছাত্র আন্দোলন, রাজনীতি, দুর্নীতি, বৈষম্য, সংবিধান থেকে শুরু করে নানা ইস্যুতে অভিমত ব্যক্ত করেন এই উপদেষ্টা। 

গণভোট-গুম কমিশনসহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ বাতিলের প্রস্তাবের জকসুর…
  • ০৯ এপ্রিল ২০২৬
বিসিবির সংবিধানে এডহক কমিটি বলতে কিছুই নাই: আসিফ মাহমুদ
  • ০৯ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে মানবাধিকার কমিশন ও গুম অধ্যাদেশ পাসের আহ্বান
  • ০৯ এপ্রিল ২০২৬
দিল্লির বৈঠকে শেখ হাসিনা-কামালকে ফেরত চাইল ঢাকা
  • ০৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রিমিয়ার লিগ আয়োজন নিয়ে যা বললেন তামিম ইকবাল
  • ০৯ এপ্রিল ২০২৬
নরসিংদীতে শিবিরের দুই দিনব্যাপী ‘প্রকাশনা উৎসব’
  • ০৮ এপ্রিল ২০২৬
close