সংশোধিত ট্রাইব্যুনালে বিচার করা যাবে পাঁচ বাহিনীর

২৫ নভেম্বর ২০২৪, ০১:৩৮ PM , আপডেট: ১৯ জুলাই ২০২৫, ০৮:২২ PM
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রসিকিউটর আইনজীবী গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন প্রসিকিউটর আইনজীবী গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম © সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংশোধিত আইনে তিন বাহিনীর সঙ্গে র‌্যাব ও পুলিশের বিচার করা যাবে। এ ছাড়া কেউ বিদেশে অপরাধ করলে ট্রাইব্যুনালে তারও বিচার করা যাবে। তবে ট্রাইব্যুনালে রাজনৈতিক দলের বিচারের বিধান রাখা হয়নি।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন প্রসিকিউটর আইনজীবী গাজী মনোয়ার হোসেন তামিম।

তিনি বলেন, ‘এই সংশোধনীতে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, এখানে সকল প্রকার বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক মানের করা হয়েছে। সরকার এটিকে গতকাল সংশোধন করেছে। এই আইনে আন্তর্জাতিকভাবে যেসব গোল প্রশ্ন তুলা হত, সেসব বিষয়ই মিট আপ করে এই সংশোধন করা হয়েছে। এই আইনে আগে ডিফেন্স কাউন্সিলের জন্য আলাদা বিষয় ছিল না। এখানে এখন এ বিষয়ে একটি স্পেশাল সেকশন করা হয়েছে। আগে আসামিদের শুধু স্টেটমেন্ট দেওয়ার সুযোগ ছিল। এখন এই সেকশন সেভেনটিনকে বিস্তার আকারে করা হয়েছে। এখানে আসামি তার সকল প্রকার সুযোগ পাবে।’

আরও পড়ুন: মামলা না নিলে ওসিকে এক মিনিটে সাসপেন্ড: ডিএমপি কমিশনার

মনোয়ার হোসেন তামিম বলেন, ‘আগে শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থেকে অপরাধ করলে এ আইনে বিচার করা হতো। এখন বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থেকে অথবা দেশের বাইরে থেকে অপরাধ করলে তার বিচার করা হবে। অথবা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থেকে যদি কোনো বিদেশিও এই অপরাধ করে তাকেও বিচারের আওতায় আনা হবে। আগে বিভিন্ন কিছু মিলিয়ে গুমের সংজ্ঞায়িত করা হতো এখন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ফোর্সফুল ডিজ অ্যাপিয়ারেন্স বিষয়টি যুক্ত করা হয়েছে। গুমের জন্য স্পেশাল বিচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগে এই আইনে কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিধান ছিল না। সেটা এখন এই আইনে রাখা হয়েছে।’

মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘এই ট্রাইবুন্যালের আধীনে অন্তর্বর্তী কোনো আদেশ যেটা কনটেম টু কোর্ট ছিল সেটার এগিনেস্টে আপিল ডিভিশনে আপিল করতে পারবে যে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি। এখানে আগে ছিল আর্ম ফোর্সের বিরুদ্ধে এখানে আপিল করা যাবে। সেই শব্দটি এখন পরিবর্তন করে মেম্বার অব ডিসিপ্লিনারি ফোর্স অর্থাৎ তিন বাহিনীর সঙ্গে পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি, গোয়েন্দা সংস্থাসহ আনসার বাহিনীকেও এখানে যুক্ত করা হয়েছে।’

আরও পড়ুন: মোল্লা কলেজে নজরুল-সোহরাওয়ার্দীর শিক্ষার্থীদের হামলা-ভাঙচুর

তিনি বলেন, ‘আগে আসামিদের তিন সপ্তাহ সময় দেওয়া হতো। আসামিদের প্রস্তুত করতে এখন সেখানে ৬ সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। আগে আমরা সবচেয়ে বেশি ফেস করতাম অ্যাট দা টাইম চার্জ হেয়ারিং সকল সাক্ষীর নাম বা তালিকা দেওয়া হতো। এখন আইনের সেই পরিবর্তন এনে বলা হয়েছে ডিফেন্স এজ এনি স্টেজ অব ট্রায়েল তাদের সাক্ষীদের কোর্টে উপস্থাপন করতে পারবে। এখানে বলে দেওয়া হয়েছে এই সংশোধনী ২০০৯ সাল থেকে কার্যকর হবে।’

দিল্লিতে মেট্রো-ট্রেন পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে না: সুপ্রিম ক…
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
যে ছাত্রদল নেতার রক্তে গতি পেয়েছিল নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী…
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
শান্তিতে নোবেল ঘোষণার কয়েকঘণ্টা পরেই আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা…
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
মাদ্রাসা থেকে ঢাবিতে—প্রয়াত মায়ের স্বপ্ন পূরণে প্রথমবারেই ব…
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় টর্চ জ্বালিয়ে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, আহত ১৫
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬
ট্রেড ইউনিয়ন নিবন্ধন সহজীকরণ ও অসৎ শ্রম আচরণ বন্ধের আহ্বান 
  • ০৯ অক্টোবর ২০২৬