বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারিতে কালক্ষেপণে শিক্ষার্থীরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে

১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৩৩ AM
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি লোগো ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লোগো

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি লোগো ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন লোগো © সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সাত কলেজকে নিয়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) চলমান সংকট অবিলম্বে নিরসন করে শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সংগঠনটি বলছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়ার দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো কার্যকর কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর একাডেমিক জীবন চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সংগঠনটির পাঠানো এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। 

বিবৃতিতে বলা হয়, সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিলেও অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এখনো পর্যন্ত এ ঘোষণা বাস্তবায়নে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অযৌক্তিক কালক্ষেপণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হচ্ছে, যা দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০১৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কোনো ধরনের ফিল্ড ওয়ার্ক, একাডেমিক সক্ষমতা যাচাই কিংবা সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের মতামত ছাড়াই ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। এর ফলে বছরের পর বছর ধরে শিক্ষার্থীরা তীব্র একাডেমিক সংকট, প্রশাসনিক জটিলতা ও চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছে।

এই অন্যায্য অধিভুক্তির বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ধারাবাহিক আন্দোলন গড়ে তোলে উল্লেখ করে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ আন্দোলনের ফলেই ২০২৫ সালের শুরুতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। তবে দুঃখজনকভাবে এখনো পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় অধ্যাদেশ জারি করা হয়নি।

অধ্যাদেশ জারিতে বিলম্বের কারণে ভর্তি কার্যক্রম, পরীক্ষা, ফল প্রকাশ, সনদ প্রদানসহ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও পেশাগত ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা, ক্ষোভ ও সংশয় বাড়ছে।

বিবৃতিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ভূমিকার কথাও তুলে ধরা হয়। বলা হয়, রাজপথে তাদের সাহসী অংশগ্রহণ ও ত্যাগ আন্দোলনকে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। সেই প্রেক্ষাপটে তাদের ন্যায্য দাবির বিষয়ে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা অত্যন্ত হতাশাজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ।

সবশেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জানায়, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা কোনো অনুগ্রহ নয়, এটি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার। সকল অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে চলমান সংকট নিরসনের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আর কোনো টালবাহানা বা প্রশাসনিক গড়িমসি মেনে নেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা পেলেন ক্রীড়া সংস্থার শীর্ষ দ…
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
অস্ত্র কেনাবেচার সময় র‍্যাবের হাতে আটক ব্যবসায়ী 
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
সাড়ে ৬ বছরে ১৬ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা, আড়ালে মানসিক চাপ-একাক…
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
জনবল নিয়োগ দিচ্ছে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যা…
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানাল পা…
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
সরিয়ে দেওয়া হলো এনটিআরসিএ সদস্য নূরে আলমকে
  • ২১ আগস্ট ২০২৬