পুরোপুরি পানির নিচে ফেনী সদর হাসপাতালের নিচতলা

২৬ আগস্ট ২০২৪, ০৭:৩৮ AM , আপডেট: ২৮ জুলাই ২০২৫, ১১:২৩ AM
ফেনীতে পানি উপেক্ষা করেই সেবা নিতে হচ্ছে বন্যার্তদের

ফেনীতে পানি উপেক্ষা করেই সেবা নিতে হচ্ছে বন্যার্তদের © টিডিসি ফটো

গত বুধবার বেলা একটার দিকে মাকে সঙ্গে নিয়ে ফেনী সদর হাসপাতালে যান অন্তঃসত্ত্বা ফারজানা আক্তার। তাঁরা ঘর থেকে বের হওয়ার পর আকাশ ভেঙে বৃষ্টি নামে। সড়কে পানিও বাড়তে থাকে। পরে কাকভেজা হয়ে হাসপাতালে পৌঁছান দুজন। সেদিন রাত দুইটার দিকে পুত্রসন্তানের মা হন ফারজানা। রাতের মধ্যেই হাসপাতালের নিচতলা পুরোপুরি ডুবে যায়। বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ–সংযোগ। তাঁরা আর বের হতে পারেননি।

গতকাল রবিবার ফেনীর মহিপাল থেকে দুই ঘণ্টা হেঁটে হাসপাতালে গিয়ে কথা হয় ফারজানার সঙ্গে। দ্বিতীয় তলার শিশু বিভাগের সামনের মেঝেতে শুয়েছিলেন তিনি। পাশে ছেলে ও মা শাহানা বেগম।

ফারজানার চোখেমুখে ছিল ক্লান্তির ছাপ। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে প্রথম সন্তানের মা হয়েছেন। আলাপের শক্তিও নেই। চার দিন ধরে ভাত পেটে পড়েনি তাঁর। পাশে বসা মা শাহানা বেগম প্রতিবেদকের কাছে জানতে চান—কোথায় গেলে ভাত পাওয়া যাবে?

আরও পড়ুন: ত্রাণ রাখার জায়গা নেই টিএসসিতে, নতুন ভেন্যু শারীরিক শিক্ষাকেন্দ্র

শাহানা বলেন, বন্যায় রাস্তাঘাট ও হাসপাতাল ডুবে যাওয়ার পর আর বের হওয়ার সুযোগ পাননি। বৃহস্পতিবার কিছুই খেতে পারেননি তাঁরা। পরদিন শুক্রবার একজন ব্যক্তি মুড়ি ও চিড়া দিয়ে যান। সেসব খেয়েই আছেন। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ডেলিভারির পর মাইয়াটা এক বেলা ভাত খেতে পারল না। খাবার না পেয়ে শরীর খারাপ করছে। বাচ্চা সিজার করে বের করছে। এখন খাবার দরকার।

ফারজানা তাঁর মা–বাবার সঙ্গে থাকেন। তাঁদের বাড়ি মহিপালে। যৌতুকের কারণে মাস ছয়েক আগে স্বামীর ঘর থেকে এক কাপড়ে বের হতে হয়েছে তাঁকে।

শাহানা বেগম বললেন, বন্যার কারণে তাঁদের কুঁড়েঘর ভেঙে গেছে। ঘর থেকে কিছুই বের করা যায়নি। তাঁরা পথে বসেছেন। এখন মেয়ে ও নাতিকে সামলাতে হচ্ছে, আবার ঘরবাড়ি নিয়েও দুশ্চিন্তা পিছু ছাড়ছে না।

আরও পড়ুন: ফেনীতে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে ছাত্রশিবির সভাপতি

হাসপাতালের নিচতলা পুরোপুরি ডুবে গেছে। স্পেশাল কেয়ার নিউবর্ন ইউনিট, জরুরি বিভাগ, স্টোর রুম, ব্লাড ব্যাংক—সবকিছু পানির নিচে। পানিতে ভাসছে হাসপাতালের নানা জিনিসপত্র।

সরেজমিনে দেখা যায়, জরুরি বিভাগের চেয়ার–টেবিল পুরোপুরি ডুবে গেছে। কিছু ব্যাগ পানিতে পড়ে আছে। ওষুধের প্যাকেটও ভাসতে দেখা যায়। হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ড, গাইনিসহ আরও বেশ কয়েকটি বিভাগ রয়েছে। সেখানে দিনের বেলায়ও ঘুটঘুটে অন্ধকার।

আসিফসহ সমন্বয়কদের বিরুদ্ধে মামলাচেষ্টা, যা বললেন নাহিদ
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
ট্রেইনি অফিসার নেবে ইস্টার্ন ব্যাংক, আবেদন অভিজ্ঞতা ছাড়াই
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
মালদ্বীপে আবাসিক ভবনে অগ্নিকাণ্ড, বাংলাদেশি ৫ শ্রমিকের মৃত্…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
মৎস্য অধিদপ্তরে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, পদ ২৮৪, আবেদন শেষ ১৫ ম…
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
রামগঞ্জে বোরো ধানের চারা পানি সংকটে, ক্ষতির আশঙ্কায় কৃষকরা
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের দাবি জুলাই ঐক্যের
  • ১৩ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081