নিরাপত্তার নামে ৬ সমন্বয়ককে ডিবি অফিসে আটকে রাখা হয়েছে: জিএম কাদের

২৯ জুলাই ২০২৪, ০৪:৪০ PM , আপডেট: ২৯ জুলাই ২০২৫, ১১:১৩ AM
জিএম কাদের

জিএম কাদের © টিডিসি ফটো

নিরাপত্তা হেফাজতের নামে আটক মো. নাহিদ ইসলাম, সারজিস আলম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, মো. আবু বাকের, আসিফ মাহমুদ ও নুসরাত তাবাসসুমকে মুক্তি দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। সোমবার (২৯ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

জিএম কাদের বলেন, নিরাপত্তা হেফাজতের নামে বেশ কয়েকদিন ধরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৬ জন সমন্বয়ককে ডিবি অফিসে আটকে রাখা হয়েছে। তাদের পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে দেখা পর্যন্ত করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিভিন্ন সূত্রে আমরা জানতে পেরেছি, এজন্য স্বজনদের মাঝে মারাত্মক উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

তিনি বলেন, ডিবি হেফাজতে থেকেই আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন সমন্বয়করা। এদিকে, সাধারণ ছাত্ররা মনে করছে, গোয়েন্দা সংস্থা বলপূর্বক এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে তাদের বাধ্য করছে। এ কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আটক সমন্বয়কদের সেই ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করেছেন। দিনের পর দিন সাধারণ ছাত্রদের নিরাপত্তার নামে তাদের ও তাদের পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে আটকে রাখাকে আমরা আইন সম্মত মনে করি না।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র, এখানে দেশের মালিক জনগণ। দেশের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা বা প্রতিবাদ করার অধিকার প্রতিটি নাগরিকের আছে।

জিএম কাদের বলেন, অহিংস প্রতিবাদকে রাষ্ট্রদ্রোহ হিসেবে বিবেচনা করার বা সেই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী এবং প্রতিরক্ষা বাহিনীকে ব্যবহার করে সহিংসভাবে মোকাবিলা করার অধিকার সরকার বা সরকারি দলের নেই। সে কারণে শুধু ছাত্র নয়। কোনো আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা করতে পারে না।

জিএম কাদের বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বৃষ্টির মতো গুলি ছুড়েছে। হেলিকপ্টার এবং বহুতল বিশিষ্ট বাড়ির ছাদের ওপর থেকে এবং ভ্রাম্যমাণ গাড়ি থেকে জনগণের ওপর নির্বিচারে গুলি বর্ষণ করা হয়েছে। যে কারণে, বাবা-মায়ের কোলের মধ্যে ও ঘরের মাঝে খেলারত অবস্থায় শিশু নিহত হয়েছে। আবার, ঘরের ভেতরে কাজ করা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে গৃহিণী নিহত হয়েছেন বলেও গণমাধ্যমে এসেছে। একইভাবে অসংখ্য নিরীহ পথচারী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রশ্ন হলো, এই ধরনের গুলি বর্ষণের উদ্দেশ্য কী ছিল? সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা যদি লক্ষ্য হয়, তাহলে এই ধরনের প্রক্রিয়ায় কি সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা সম্ভব ছিল? বাবার কোলে শিশু, রান্নাঘরে গৃহিণী ও নিরীহ পথচারী... তারা কি সন্ত্রাসী? এই মৃত্যুর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।

অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে, সংশ্লিষ্টরা গ্রেপ্তার বাণিজ্য চালাচ্ছে উল্লেখ করে জিএম কাদের বলেন, সাধারণ মানুষের মাঝে গ্রেপ্তার আতঙ্ক বিরাজ করছে। দেশের মানুষ যেন আতঙ্কের রাজ্যের বাসিন্দা।

ওয়াসার পাইপলাইন মেরামতের সময় প্রাণ গেল দুই শ্রমিকের
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
আজ এসএসসি’র দ্বিতীয় দিনের পরীক্ষা, প্রশ্ন বিতরণে সতর্ক থাকা…
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবিতে একদিনে ছয় সাংবাদিককে হেনস্তা, দুঃখ প্রকাশ ছাত্রদলের
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
জাইমাকে নিয়ে এআই নির্মিত ছবি পোস্ট, তেজগাঁও কলেজ শিক্ষার্থী…
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
শান্তি আলোচনা পথে ৩ বাধার কথা জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ইরান উত্তেজনার মধ্যেই পদ ছাড়লেন মার্কিন নেভি সচিব
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬